বান্দরবানে আগুনে পুড়ল ৪৭ দোকান-বসতঘর
- আপডেট সময় : ৪৪ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ আগুনে প্রায় ৪৭টি দোকানপাট ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে অন্তত দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।
গত শনিবার (১৭ মে) ভোর ৪টার সময় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বান্দরবান স্টেশনের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মান্নান আনসারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোররাত ৪টায় হঠাৎ বাজারে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে অধিকাংশ দোকান ও বসতঘরে দাহ্যসামগ্রী থাকায় এবং পাশাপাশি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ রূপ নেয়।
সংবাদ পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাজারের প্রায় ৪৭টি দোকান ও বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দোকানের মালামাল পুড়ে যাওয়ায় তারা পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য সিং শৈ মারমা জানান, বাজারের পেছনের এক দোকান থেকে বিদ্যুৎ শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই অগ্নিকাণ্ডে বাজারের প্রায় ৪৭টি দোকান ও বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে আর সবাই নিঃস্ব হয়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বান্দরবান স্টেশনের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, ‘আগুনের সংবাদ পেয়ে ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। দুর্গম এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে।
তদন্তের পর আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ আগুনে বাঘমারা বাজারে ১৩টি দোকান ও ২টি বসতবাড়ি পুড়ে গিয়েছিল।
















