ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বাছুরসহ গাভী জবাইয়ের অভিযোগে কসাই আটক

শরিফ মাহমুদ, কুষ্টিয়া
  • আপডেট সময় : ৩০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ নতুন বাজারে পেটে বাছুরসহ গাভী গরু জবাই করে মাংস বিক্রির সময় নুরু নামের এক কসাইকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। জানা যায়, গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) বেলা ২ টার দিকে কুর্শা ইউনিয়নের মাজিহাট গ্রামের মৃত ছের আলী ব্যাপারীর ছেলে জাসদ যুবজোটের নেতা নুরু কসাই পোড়াদহ নতুন বাজারে পেটে বাচ্চাসহ একটি গাভী গরু এনে জবাই করে গোশত বিক্রি করছিল। এ সময় স্থানীয় কয়েক জনের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে না পারলে তাকে আটক করে রাখে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কসাই নুরুকে স্থানীয় জনতা আটক করে রাখলে তাকে ছাড়িয়ে নিতে মিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম সৈনিক জোর তদবির করেন। পরে
খবর পেয়ে স্থানীয় আহাম্মদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত কসাইকে সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ। খাওয়ার অযোগ্য মাংস ও গাভীর বাছুর বাজারের পাশ্ববর্তী ময়নাগাড়ির মাঠে পুতে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিতে পুলিশ পাঠিয়েছেন বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বারবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। দীর্ঘদিন থেকে এই কসাই নুরু অসুস্থ, মরা গরু, ছাগল বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কসাই নুরুর বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাছুরসহ গাভী জবাইয়ের অভিযোগে কসাই আটক

আপডেট সময় :

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ নতুন বাজারে পেটে বাছুরসহ গাভী গরু জবাই করে মাংস বিক্রির সময় নুরু নামের এক কসাইকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। জানা যায়, গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) বেলা ২ টার দিকে কুর্শা ইউনিয়নের মাজিহাট গ্রামের মৃত ছের আলী ব্যাপারীর ছেলে জাসদ যুবজোটের নেতা নুরু কসাই পোড়াদহ নতুন বাজারে পেটে বাচ্চাসহ একটি গাভী গরু এনে জবাই করে গোশত বিক্রি করছিল। এ সময় স্থানীয় কয়েক জনের সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে না পারলে তাকে আটক করে রাখে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কসাই নুরুকে স্থানীয় জনতা আটক করে রাখলে তাকে ছাড়িয়ে নিতে মিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম সৈনিক জোর তদবির করেন। পরে
খবর পেয়ে স্থানীয় আহাম্মদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত কসাইকে সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ। খাওয়ার অযোগ্য মাংস ও গাভীর বাছুর বাজারের পাশ্ববর্তী ময়নাগাড়ির মাঠে পুতে ফেলার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিতে পুলিশ পাঠিয়েছেন বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বারবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। দীর্ঘদিন থেকে এই কসাই নুরু অসুস্থ, মরা গরু, ছাগল বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কসাই নুরুর বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।