ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়িতে এখনো পানিবন্দি সাড়ে ৩ হাজার পরিবার

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৩ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে আছেন দীঘিনালা উপজেলার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমলেও অনেক বাড়িঘর, কৃষিজমি ও গ্রামীণ সড়ক এখনো পানির নিচে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক ও সেতু ডুবে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকটে পড়েছেন দুর্গত মানুষ। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

শনিবার বিকেলে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খাগড়াছড়িতে এখনো পানিবন্দি সাড়ে ৩ হাজার পরিবার

আপডেট সময় :

খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে আছেন দীঘিনালা উপজেলার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমলেও অনেক বাড়িঘর, কৃষিজমি ও গ্রামীণ সড়ক এখনো পানির নিচে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক ও সেতু ডুবে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকটে পড়েছেন দুর্গত মানুষ। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

শনিবার বিকেলে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে।