ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, কুড়িগ্রামে ৪ জনের যাবজ্জীবন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার দায়ে তাঁর স্ত্রী, প্রেমিক এবং শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল এলাকার নুর নাহার, তাঁর মা ছকিনা বেগম, বাবা নুর মোহাম্মদ এবং পরকীয়া প্রেমিক গফুর।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে দাওয়াতের কথা বলে কৌশলে পাশের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নুর নাহার, তাঁর বাবা-মা এবং প্রেমিক গফুর মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পরকীয়ার জেরে স্বামী হত্যা, কুড়িগ্রামে ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় :

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার দায়ে তাঁর স্ত্রী, প্রেমিক এবং শ্বশুর-শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফুলবাড়ী উপজেলার গোড়কমণ্ডল এলাকার নুর নাহার, তাঁর মা ছকিনা বেগম, বাবা নুর মোহাম্মদ এবং পরকীয়া প্রেমিক গফুর।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল নুর নাহার স্বামী কেতাব উদ্দিনকে দাওয়াতের কথা বলে কৌশলে পাশের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নুর নাহার, তাঁর বাবা-মা এবং প্রেমিক গফুর মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি জমিতে ফেলে রাখা হয়।

পরদিন ১৯ এপ্রিল নিহতের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন আলো।