ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

ভারী বর্ষণ ও ভারতের পাহাড়ি ঢলে ফের বানভাসি সিলেট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় ফের সিলেটের নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফণা তুলে এগিয়ে আসছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পাহাড়ি ঢলে যাদুকাটা নদী হয়ে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুরের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। চলণাচলে নৌকা ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। এমন তথ্য সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, রোববার বিকাল ৪টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি) থেকে অতি ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৮৯ মিলিমিটারের ওপরে) বৃষ্টি হতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোমবার তিন ঘণ্টায় ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সারারাত সুনামগঞ্জে বৃষ্টি হওয়ায় উজানের পানিতে সীমান্তের নিচু সড়ক প্লাবিত হয়েছে। এতে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, বিপৎসীমা ছাড়িয়ে সুরমা নদীর পানি ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস সোমবার সকালে জানায়, রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৭ ঘণ্টায় সিলেটে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিদৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপরে দিয়ে বইছে।

সিলেটের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন সিলেট ও ভারতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারতের পাহাড়ি ঢলও আসছে। তাই রোববার সকাল থেকে জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার পানি আরও বেড়েছে। দেখা দিয়েছে ফের বন্যার আশঙ্কা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারী বর্ষণ ও ভারতের পাহাড়ি ঢলে ফের বানভাসি সিলেট

আপডেট সময় :

 

ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় ফের সিলেটের নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফণা তুলে এগিয়ে আসছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পাহাড়ি ঢলে যাদুকাটা নদী হয়ে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুরের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। চলণাচলে নৌকা ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। এমন তথ্য সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, রোববার বিকাল ৪টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি) থেকে অতি ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৮৯ মিলিমিটারের ওপরে) বৃষ্টি হতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সোমবার তিন ঘণ্টায় ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চেরাপুঞ্জিতে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। সারারাত সুনামগঞ্জে বৃষ্টি হওয়ায় উজানের পানিতে সীমান্তের নিচু সড়ক প্লাবিত হয়েছে। এতে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, বিপৎসীমা ছাড়িয়ে সুরমা নদীর পানি ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস সোমবার সকালে জানায়, রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৭ ঘণ্টায় সিলেটে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়েছে। কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিদৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপরে দিয়ে বইছে।

সিলেটের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন সিলেট ও ভারতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারতের পাহাড়ি ঢলও আসছে। তাই রোববার সকাল থেকে জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার পানি আরও বেড়েছে। দেখা দিয়েছে ফের বন্যার আশঙ্কা।