গর্জনিয়া ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক কানন পালের স্বেচ্ছাচারিতায়
অতিষ্ঠ সেবাপ্রার্থীরা, রাতে অস্বাভাবিক কার্যক্রমের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ৩৫ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ভূমি অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একদল সাংবাদিক রাতে সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা মেলে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , গর্জনিয়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক কানন পাল ঈদগড়,গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের লোকজন জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে গর্জনিয়া ভুমি অফিসে আসেন।
সেবা প্রার্থীরা গর্জনিয়া ভুমি অফিসে আসলে অফিস সহায়ক কানন পাল নানান তাহবাহনা সৃষ্টি করে থাকেন। সেবা প্রার্থীরা সমস্যা সমাধানে অফিস সহায়ক কানন পাল কে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ম্যানেজ করতে হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে কিংবা বিকৃত করে রিপোর্ট প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—অফিস সময়ের বাইরে রাতের বেলায় কার্যক্রম পরিচালনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময় শেষে অফিস কক্ষ বন্ধ থাকলেও রাতের দিকে ভেতরে আলো জ্বলতে দেখা যায় এবং কিছু ব্যক্তির আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকদের একটি টিম সরেজমিনে গিয়ে রাতের বেলায় অফিসে কার্যক্রম চলার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করার দাবি করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, ওই সময় কিছু কাগজপত্রের কাজ ও হিসাব-নিকাশ চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া যায়। তবে এ কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা এবং কিছু ক্ষেত্রে মিথ্যা রিপোর্ট তৈরির ঘটনাও ঘটছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কানন পালের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বলেন,তদন্ত করে শাস্তি মূলক ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন,গর্জনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক কানন পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল গর্জনিয়া ভূমি অফিসের কার্যক্রমের ওপর দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।














