ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ঈদগাঁওয়ে ‘সমৃদ্ধি’ স্বাস্থ্য ক্যাম্পে র উদ্যোগে সেবা পেলেন ১৯০ রোগী

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৮২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নে আয়োজিত বিনামূল্যের গাইনি ও শিশু স্বাস্থ্য ক্যাম্পে সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মুক্তি কক্সবাজার ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘সমৃদ্ধি’ কর্মসূচির আওতায় গত ২০ এপ্রিল জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য ক্যাম্প উদ্বোধন করেন মুক্তি কক্সবাজারের উপ-প্রধান নির্বাহী সৈয়দ লুৎফুল কবীর চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. নুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী শাহিনা আক্তার, সিনিয়র ফিল্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, ফিল্ড অফিসার রেজাউল করিমসহ মুক্তি কক্সবাজারের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পে মোট ১৯০ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১৩০ জন নারী, ১০ জন পুরুষ এবং ৫০ জন শিশু ছিল। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়।
চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম রায়হান এবং ইউনিয়ন হাসপাতাল, কক্সবাজারের মেডিকেল অফিসার ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. মেহের জাবিন। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
জালালাবাদ ইউনিয়নের শিক্ষক আবদুল কাদের বলেন, “গ্রামীণ নারীদের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্য ক্যাম্প খুবই কার্যকর উদ্যোগ। এতে অনেকেই সহজে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন।”
স্থানীয় কৃষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আমাদের এলাকায় খুব কম আসে। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে আমরা উপকৃত হয়েছি।”
গৃহিণী রাশেদা বেগম বলেন, “দূরে গিয়ে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় না। এখানে এসে পরীক্ষা করাতে পেরে স্বস্তি পেয়েছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, “দরিদ্র মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নিয়মিত হলে আরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে।”
সমাজকর্মী নুরুল আমিন বলেন, “সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় এ উদ্যোগ গ্রামীণ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বাস্থ্য ক্যাম্প নিয়মিত আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঈদগাঁওয়ে ‘সমৃদ্ধি’ স্বাস্থ্য ক্যাম্পে র উদ্যোগে সেবা পেলেন ১৯০ রোগী

আপডেট সময় :

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নে আয়োজিত বিনামূল্যের গাইনি ও শিশু স্বাস্থ্য ক্যাম্পে সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মুক্তি কক্সবাজার ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘সমৃদ্ধি’ কর্মসূচির আওতায় গত ২০ এপ্রিল জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য ক্যাম্প উদ্বোধন করেন মুক্তি কক্সবাজারের উপ-প্রধান নির্বাহী সৈয়দ লুৎফুল কবীর চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. নুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী শাহিনা আক্তার, সিনিয়র ফিল্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, ফিল্ড অফিসার রেজাউল করিমসহ মুক্তি কক্সবাজারের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পে মোট ১৯০ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ১৩০ জন নারী, ১০ জন পুরুষ এবং ৫০ জন শিশু ছিল। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়।
চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম রায়হান এবং ইউনিয়ন হাসপাতাল, কক্সবাজারের মেডিকেল অফিসার ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. মেহের জাবিন। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
জালালাবাদ ইউনিয়নের শিক্ষক আবদুল কাদের বলেন, “গ্রামীণ নারীদের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্য ক্যাম্প খুবই কার্যকর উদ্যোগ। এতে অনেকেই সহজে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন।”
স্থানীয় কৃষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আমাদের এলাকায় খুব কম আসে। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে আমরা উপকৃত হয়েছি।”
গৃহিণী রাশেদা বেগম বলেন, “দূরে গিয়ে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় না। এখানে এসে পরীক্ষা করাতে পেরে স্বস্তি পেয়েছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, “দরিদ্র মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নিয়মিত হলে আরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে।”
সমাজকর্মী নুরুল আমিন বলেন, “সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় এ উদ্যোগ গ্রামীণ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের স্বাস্থ্য ক্যাম্প নিয়মিত আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।