ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিসে তরুনীর টিকটক, সমালোচনার ঝড়

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সরকারি অফিসে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে “shimaqueen22 The brand” নামের টিকটক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। এতে দেখা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে এক তরুণী মুখাভিনয় করছেন। ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাজ্জাদ নূরের গান “কামিনী কামনার দেশে গমন করিয়া…”।
ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়—দেয়ালে লাগানো বিভিন্ন চেয়ারম্যানের নাম ও মেয়াদকালের তালিকা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লোগো, আর টেবিলের পাশে রাখা জাতীয় পতাকার ক্রেস্ট। ভিডিওটি আপলোডের পরপরই ৫ হাজারের বেশি ভিউ হয় এবং শতাধিক প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য জমা পড়ে।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—সুরক্ষিত সরকারি অফিসে অনুমতি ছাড়া কীভাবে একজন তরুণী প্রবেশ করে ভিডিও ধারণ করতে পারলেন? জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম বিদেশ চলে যান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার সারাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। ফলে বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষ শূন্য পড়ে আছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অফিসের তালা খুলে ভিডিও ধারণের সুযোগ যে বা যারা দিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা জরুরি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিসে তরুনীর টিকটক, সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় :

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সরকারি অফিসে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে “shimaqueen22 The brand” নামের টিকটক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। এতে দেখা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে এক তরুণী মুখাভিনয় করছেন। ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাজ্জাদ নূরের গান “কামিনী কামনার দেশে গমন করিয়া…”।
ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়—দেয়ালে লাগানো বিভিন্ন চেয়ারম্যানের নাম ও মেয়াদকালের তালিকা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লোগো, আর টেবিলের পাশে রাখা জাতীয় পতাকার ক্রেস্ট। ভিডিওটি আপলোডের পরপরই ৫ হাজারের বেশি ভিউ হয় এবং শতাধিক প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য জমা পড়ে।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—সুরক্ষিত সরকারি অফিসে অনুমতি ছাড়া কীভাবে একজন তরুণী প্রবেশ করে ভিডিও ধারণ করতে পারলেন? জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম বিদেশ চলে যান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার সারাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। ফলে বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানের কক্ষ শূন্য পড়ে আছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অফিসের তালা খুলে ভিডিও ধারণের সুযোগ যে বা যারা দিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা জরুরি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।