ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ঘাটাইলে আলোচনার শীর্ষে ৪০ মণের বিশালাকার ষাঁড়!এক নারীর অবিশ্বাস্য সাফল্য

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎ফ্রিজিয়ান জাতের ‘কালো মানিক’। আকৃতিতে বিশাল দেখতে দানবের মত। গায়ের রং কালো। ওজন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মণ। দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। আর দাবি করা হচ্ছে জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় এই কালো মানিক। এই গরুটি এখন ঘাটাইল উপজেলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।‎
‎টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার চান্দশী গ্রামের নারী উদ্যোক্তা হাফিজা বেগম এই গরুটি লালন-পালন করছেন। তার গাভী থেকে বাচুর হয়। তিন বছর ধরে নিজের ছেলের মতোই লালন পালন করেন এই এই গরুটিকে। এই নারী উদ্যোক্তার দাবি, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ‘কালো মানিক’ বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলায় সবচেয়ে বড় গরুগুলোর মধ্যে একটি।
‎‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় গরুর জনপ্রিয়তা দেখে এ বছর বিশেষভাবে কালা মানিককে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
‎‎হাফিজা বেগম বলেন, এ বছর ইন্ডিয়ান গরু যদি দেশে না আসে তাহলে আমার ‘কালো মানিক’এর ন্যায্য মূল্য পাব বলে আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঘাটাইলে আলোচনার শীর্ষে ৪০ মণের বিশালাকার ষাঁড়!এক নারীর অবিশ্বাস্য সাফল্য

আপডেট সময় :

‎ফ্রিজিয়ান জাতের ‘কালো মানিক’। আকৃতিতে বিশাল দেখতে দানবের মত। গায়ের রং কালো। ওজন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মণ। দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। আর দাবি করা হচ্ছে জেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় এই কালো মানিক। এই গরুটি এখন ঘাটাইল উপজেলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।‎
‎টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার চান্দশী গ্রামের নারী উদ্যোক্তা হাফিজা বেগম এই গরুটি লালন-পালন করছেন। তার গাভী থেকে বাচুর হয়। তিন বছর ধরে নিজের ছেলের মতোই লালন পালন করেন এই এই গরুটিকে। এই নারী উদ্যোক্তার দাবি, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ‘কালো মানিক’ বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলায় সবচেয়ে বড় গরুগুলোর মধ্যে একটি।
‎‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় গরুর জনপ্রিয়তা দেখে এ বছর বিশেষভাবে কালা মানিককে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
‎‎হাফিজা বেগম বলেন, এ বছর ইন্ডিয়ান গরু যদি দেশে না আসে তাহলে আমার ‘কালো মানিক’এর ন্যায্য মূল্য পাব বলে আশাবাদী।