ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৬০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহর মাইজদী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের মধ্যবাগ্যা গ্রামের বাসিন্দা মুফতি আবুল খায়ের (৩৫)। তিনি স্থানীয় দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী দীর্ঘদিন ধরে পেটের সমস্যায় ভুগছিল। এ অবস্থায় গত ফেব্রুয়ারিতে তার দাদি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাকে ওই শিক্ষকের কাছে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে শিক্ষকের কক্ষে কৌশলে মেয়েটির অভিভাবককে বাইরে পাঠানো হয়। পরে সুযোগ বুঝে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশ্বাসে পরিবার প্রথমদিকে আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। তবে দীর্ঘদিনেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান জানান, শ্লীলতাহানির ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায়ও আরেকটি মামলা রয়েছে। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহর মাইজদী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের মধ্যবাগ্যা গ্রামের বাসিন্দা মুফতি আবুল খায়ের (৩৫)। তিনি স্থানীয় দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী দীর্ঘদিন ধরে পেটের সমস্যায় ভুগছিল। এ অবস্থায় গত ফেব্রুয়ারিতে তার দাদি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাকে ওই শিক্ষকের কাছে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে শিক্ষকের কক্ষে কৌশলে মেয়েটির অভিভাবককে বাইরে পাঠানো হয়। পরে সুযোগ বুঝে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশ্বাসে পরিবার প্রথমদিকে আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। তবে দীর্ঘদিনেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে।
এদিকে মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান জানান, শ্লীলতাহানির ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায়ও আরেকটি মামলা রয়েছে। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।