ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জলঢাকায় ফুয়েল কার্ডে স্বস্তি ফিরল

‎জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় জ্বালানি তেল সংকট ও দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি এখন অতীত। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চালু হওয়া ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে পাম্পগুলোতে ফিরেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা।
‎‎কয়েকদিন আগেও উপজেলার বিভিন্ন পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য দেখা যেত দীর্ঘ লাইন, যানজট এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তেলের জন্য হাহাকার, এমনকি কোথাও কোথাও মারামারির ঘটনাও ঘটত।
মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সাধারণ মানুষ ও পাম্প কর্তৃপক্ষ উভয়ই পড়তেন চরম ভোগান্তিতে। বিশেষ করে শিক্ষক, সাংবাদিক ও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করা ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
প্রয়োজনীয় কাজে বের হলেও অনেক সময় তেল না পাওয়ায় পড়তে হতো দুশ্চিন্তায়। তবে বর্তমানে ফুয়েল কার্ড চালুর পর সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন পাম্পগুলোতে নেই কোনো ভিড় বা দীর্ঘ লাইন। গ্রাহকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্দিষ্ট নিয়মে তাদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, এই উদ্যোগের ফলে শুধু সময়ই বাঁচছে না, বরং শৃঙ্খলা ও স্বস্তিও ফিরে এসেছে জনজীবনে। উপজেলা প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জলঢাকায় ফুয়েল কার্ডে স্বস্তি ফিরল

আপডেট সময় :

‎নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় জ্বালানি তেল সংকট ও দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি এখন অতীত। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চালু হওয়া ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে পাম্পগুলোতে ফিরেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা।
‎‎কয়েকদিন আগেও উপজেলার বিভিন্ন পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য দেখা যেত দীর্ঘ লাইন, যানজট এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তেলের জন্য হাহাকার, এমনকি কোথাও কোথাও মারামারির ঘটনাও ঘটত।
মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সাধারণ মানুষ ও পাম্প কর্তৃপক্ষ উভয়ই পড়তেন চরম ভোগান্তিতে। বিশেষ করে শিক্ষক, সাংবাদিক ও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করা ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
প্রয়োজনীয় কাজে বের হলেও অনেক সময় তেল না পাওয়ায় পড়তে হতো দুশ্চিন্তায়। তবে বর্তমানে ফুয়েল কার্ড চালুর পর সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন পাম্পগুলোতে নেই কোনো ভিড় বা দীর্ঘ লাইন। গ্রাহকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্দিষ্ট নিয়মে তাদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, এই উদ্যোগের ফলে শুধু সময়ই বাঁচছে না, বরং শৃঙ্খলা ও স্বস্তিও ফিরে এসেছে জনজীবনে। উপজেলা প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।