ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জলদস্যুর কবলে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ৪৫০ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জলদস্যু কবলে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। কারণ জাহাজ ভর্তি ৫৫ জাহার মেট্রিক টন কয়লা রয়েছে। যার দাম ৮০ কোটি টাকা। কয়লা দাহ্য পদার্থ হওয়ায় উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বলা হচ্ছে, কয়লার মতো দাহ্য পদার্থ নির্ধারিত মাত্রায় রাখতে হয়। তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রির বেশি হলে মিথেন গ্যাস তৈরি হয়। বাড়ে কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রাও। তখন নিজ থেকেই জ্বলে ওঠে কয়লা। তাই কয়লাবোঝাই জাহাজকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয় তাপমাত্রা।

সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি জাহাজ এম আবদুল্লাহ নিয়ে রীতি মত আশঙ্কা আছড়ে পড়েছে।

বুধবার (২০ মার্চ) নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সোমালিয় জলদুস্য ও এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে যোগাযোগ হলেও নাবিকদের মুক্তিপণের বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।

বাংলাদেশি ২৩ নাবিক, ক্রুসহ যে জাহাজটি জলদস্যুর কবলে, সেখানে এটি কতটা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে সন্দিহান সবাই। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এরই মধ্যে পাঠানো অডিও বার্তায় জাহাজের চিফ অফিসার বলেছেন, প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে কয়লার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হতে পারে।

তবে জলদস্যু আক্রান্ত হওয়ার সাত দিন পর জাহাজে কয়লা কোন অবস্থায় রয়েছে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা, এসব বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পায়নি জাহাজটির মালিকপক্ষ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জলদস্যুর কবলে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠছে

আপডেট সময় :

 

জলদস্যু কবলে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। কারণ জাহাজ ভর্তি ৫৫ জাহার মেট্রিক টন কয়লা রয়েছে। যার দাম ৮০ কোটি টাকা। কয়লা দাহ্য পদার্থ হওয়ায় উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বলা হচ্ছে, কয়লার মতো দাহ্য পদার্থ নির্ধারিত মাত্রায় রাখতে হয়। তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রির বেশি হলে মিথেন গ্যাস তৈরি হয়। বাড়ে কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রাও। তখন নিজ থেকেই জ্বলে ওঠে কয়লা। তাই কয়লাবোঝাই জাহাজকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয় তাপমাত্রা।

সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি জাহাজ এম আবদুল্লাহ নিয়ে রীতি মত আশঙ্কা আছড়ে পড়েছে।

বুধবার (২০ মার্চ) নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সোমালিয় জলদুস্য ও এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে যোগাযোগ হলেও নাবিকদের মুক্তিপণের বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।

বাংলাদেশি ২৩ নাবিক, ক্রুসহ যে জাহাজটি জলদস্যুর কবলে, সেখানে এটি কতটা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে সন্দিহান সবাই। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এরই মধ্যে পাঠানো অডিও বার্তায় জাহাজের চিফ অফিসার বলেছেন, প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে কয়লার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হতে পারে।

তবে জলদস্যু আক্রান্ত হওয়ার সাত দিন পর জাহাজে কয়লা কোন অবস্থায় রয়েছে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা, এসব বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পায়নি জাহাজটির মালিকপক্ষ।