টেকনাফে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক
- আপডেট সময় : ২৫ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাতে পরিচালিত এ অভিযানে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, যা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে দেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে বিজিবি।আটক ব্যক্তি হলেন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার মিনাবাজার গ্রামের বাসিন্দা মো. হেলালের ছেলে মো. শামচু আলম (২০)।মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক।বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৬ থেকে প্রায় ৫০০ গজ দক্ষিণে এবং বিওপি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হেলালের ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়।পরে রাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে মিনাবাজারের দিকে আসতে দেখে টহল দলের সন্দেহ হয়। বিজিবি সদস্যরা তাকে থামার সংকেত দিলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়।পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির সঙ্গে থাকা একটি কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের মোড়কে থাকা তিনটি কার্টনের ভেতর থেকে মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক শামচু আলম স্বীকার করেন, তিনি মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে দেশের অভ্যন্তরে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন। পরে তার দেহ তল্লাশি করা হলেও অন্য কোনো অবৈধ বস্তু পাওয়া যায়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক সরবরাহকারী, চোরাকারবারি ও তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে ধারাবাহিক সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত অভিযান মাদক পাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।







