ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ত্রিশালে ইমামের বিরুদ্ধে ‘মসজিদ দখলের’ অভিযোগ

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রিশাল উপজেলার মধ্য বালিপাড়া জান্নাতুন নূর নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা মসজিদ দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে।
গতকাল শনিবার মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসার একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করে ব্যক্তিগত মালামাল রেখেছেন স্থানীয় ইমাম। মসজিদের স্থানীয় বাসিন্দা ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতর সামনে চাপের মুখে পড়ে স্থানীয় ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহ এক পর্যায়ে তালাবদ্ধ কক্ষটি খুলে দিলেও তিনি এ মসজিদের ইমামের দ্বায়িত্ব ছাড়বেন না বলে জানান। যোহর নামাজের আগে এক প্রতিবাদ সভায় এ অভিযোগ করেন মুসল্লিরা। প্রায় শতাধিক মুসল্লির উপস্থিতিতে সাবেক ইমামের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানানো হয়।
মসজিদ ও মাদ্রাসা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোঃ আব্দুল সাত্তার বলেন, এই মাদ্রাসা ও মসজিদ এটি ওয়াকফ সম্পত্তি। এখানে কোনো জোরজবরদস্তির করে থাকা যাবে না। এটি সমাজের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় ইমাম হাফেজ শহিদুল্লাহ এখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে থাকতে চাচ্ছেন। যা মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্য মঙ্গল নয়।আমরা তাকে ইমামের দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। তিনি এখন চলে গেলেই ভালো হবে।
মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটির সভাপতি আক্কাস আলী বলেন, এখানে জোরপূর্বক থাকার কিছু নেই। হাফেজ শহিদুল্লা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করছেন। আমরা তাকে লিখিত ভাবে ইমামের দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। অথচ সে মসজিদ ও মাদ্রাসা থেকে বিদায় না নিয়ে উল্টো এই প্রতিষ্ঠান কে দখল করার চেষ্টা করছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন, আমি কেন মাদ্রাসা ও মসজিদ ছেড়ে দিবো ? এটা আমার চাচার প্রতিষ্ঠান। এখানে আমার অধিকার আছে। আমি এই কমিটি মানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ত্রিশালে ইমামের বিরুদ্ধে ‘মসজিদ দখলের’ অভিযোগ

আপডেট সময় :

ত্রিশাল উপজেলার মধ্য বালিপাড়া জান্নাতুন নূর নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা মসজিদ দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে।
গতকাল শনিবার মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসার একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করে ব্যক্তিগত মালামাল রেখেছেন স্থানীয় ইমাম। মসজিদের স্থানীয় বাসিন্দা ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতর সামনে চাপের মুখে পড়ে স্থানীয় ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহ এক পর্যায়ে তালাবদ্ধ কক্ষটি খুলে দিলেও তিনি এ মসজিদের ইমামের দ্বায়িত্ব ছাড়বেন না বলে জানান। যোহর নামাজের আগে এক প্রতিবাদ সভায় এ অভিযোগ করেন মুসল্লিরা। প্রায় শতাধিক মুসল্লির উপস্থিতিতে সাবেক ইমামের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানানো হয়।
মসজিদ ও মাদ্রাসা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোঃ আব্দুল সাত্তার বলেন, এই মাদ্রাসা ও মসজিদ এটি ওয়াকফ সম্পত্তি। এখানে কোনো জোরজবরদস্তির করে থাকা যাবে না। এটি সমাজের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় ইমাম হাফেজ শহিদুল্লাহ এখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে থাকতে চাচ্ছেন। যা মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্য মঙ্গল নয়।আমরা তাকে ইমামের দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। তিনি এখন চলে গেলেই ভালো হবে।
মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটির সভাপতি আক্কাস আলী বলেন, এখানে জোরপূর্বক থাকার কিছু নেই। হাফেজ শহিদুল্লা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করছেন। আমরা তাকে লিখিত ভাবে ইমামের দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। অথচ সে মসজিদ ও মাদ্রাসা থেকে বিদায় না নিয়ে উল্টো এই প্রতিষ্ঠান কে দখল করার চেষ্টা করছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ইমাম হাফেজ মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন, আমি কেন মাদ্রাসা ও মসজিদ ছেড়ে দিবো ? এটা আমার চাচার প্রতিষ্ঠান। এখানে আমার অধিকার আছে। আমি এই কমিটি মানি না।