ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে: নাহিদ ইসলাম Logo আদমদীঘিতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo গৌরীপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ, স্বর্ণের চেইন ছিনতাই Logo সেন্টমার্টিনে ১০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে কোস্ট গার্ডের ত্রাণ সহায়তা Logo গোমস্তাপুরে পৃথক অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo আগৈলঝাড়া থানায় হামলার মামলায় ১৮ জন গ্রেপ্তার Logo নান্দাইলে আধুনিক রেলস্টেশন ও এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবি Logo মাদক নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে নড়াইলে আলোচনা Logo ঘাটাইলে মিন্টু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন Logo নান্দাইলে ব্রিজের পাশের মাটি সরে দুর্ভোগ, ঝুঁকিতে দুই উপজেলার মানুষ

থাইল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

থাইল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন পেতংতার্ন। তিনি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে।

থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে বেছে নিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৬ আগস্ট) পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া হয় পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।

তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশটির সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এর আগে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পেতংতার্নের ফুফু ইংলাক।

মাত্র দুদিন আগেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে বরখাস্ত করে দেশটির একটি সাংবিধানিক আদালত। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে পেতংতার্নের নাম ঘোষণা করে ফেউ থাই পার্টি।

স্রেথা এবং পেতংতার্ন দুজনই ফেউ থাই পার্টির নেতা। ২০২৩ সালের নির্বাচনে ফেউ থাই পার্টি দ্বিতীয় হয়েছিল। কিন্তু পরে তারা জোট সরকার গড়ে তোলে।

তবে থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্নকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতিকে পুনরায় গতিশীল করা এবং সামরিক অভ্যুত্থান এবং আদালতের হস্তক্ষেপ এড়াতে তাকে সব সময়ই সতর্ক থাকতে হবে। তার দলের নেতৃত্বে থাকা পূর্ববর্তী চারটি প্রশাসনকেই ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।

পার্লামেন্টে ভোটাভুটির পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে পেতংতার্ন বলেন, আমি সত্যিই এ বিষয়ে মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে চাই যে, আমরা সুযোগ তৈরি করতে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে ও সব থাই নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখতে পারি।

আমি সবসময় মনে করি আমার দৃঢ় ইচ্ছা আছে এবং আমার একটি ভাল টিম আছে… আমার দল শক্তিশালী, অভিজ্ঞ, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং আমরা একই ধারণা শেয়ার করি। এটি এমন একটি জিনিস যা আমার কাছে খুবই মূল্যবান।

শুক্রবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে পেতংতার্নের পক্ষে ৩১৯টি ভোট পড়েছে। আর বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৪৫টি। স্রেথা থাভিসিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত এক আইনজীবীকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপরেই বুধবার তাকে বরখাস্ত করা হয়। পেতংতার্ন জানিয়েছেন, তিনি স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দ্বিধান্বিত এবং খুবই দুঃখ পেয়েছেন।

তবে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তার দল এবং দেশের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। পেতংতার্ন জানিয়েছেন, তার বাবা তাকসিন তাকে এ বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যেতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

থাইল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন

আপডেট সময় :

 

থাইল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন পেতংতার্ন। তিনি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে।

থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে বেছে নিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৬ আগস্ট) পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া হয় পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।

তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশটির সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এর আগে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পেতংতার্নের ফুফু ইংলাক।

মাত্র দুদিন আগেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে বরখাস্ত করে দেশটির একটি সাংবিধানিক আদালত। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে পেতংতার্নের নাম ঘোষণা করে ফেউ থাই পার্টি।

স্রেথা এবং পেতংতার্ন দুজনই ফেউ থাই পার্টির নেতা। ২০২৩ সালের নির্বাচনে ফেউ থাই পার্টি দ্বিতীয় হয়েছিল। কিন্তু পরে তারা জোট সরকার গড়ে তোলে।

তবে থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্নকে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতিকে পুনরায় গতিশীল করা এবং সামরিক অভ্যুত্থান এবং আদালতের হস্তক্ষেপ এড়াতে তাকে সব সময়ই সতর্ক থাকতে হবে। তার দলের নেতৃত্বে থাকা পূর্ববর্তী চারটি প্রশাসনকেই ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।

পার্লামেন্টে ভোটাভুটির পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে পেতংতার্ন বলেন, আমি সত্যিই এ বিষয়ে মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে চাই যে, আমরা সুযোগ তৈরি করতে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে ও সব থাই নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখতে পারি।

আমি সবসময় মনে করি আমার দৃঢ় ইচ্ছা আছে এবং আমার একটি ভাল টিম আছে… আমার দল শক্তিশালী, অভিজ্ঞ, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং আমরা একই ধারণা শেয়ার করি। এটি এমন একটি জিনিস যা আমার কাছে খুবই মূল্যবান।

শুক্রবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে পেতংতার্নের পক্ষে ৩১৯টি ভোট পড়েছে। আর বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৪৫টি। স্রেথা থাভিসিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত এক আইনজীবীকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপরেই বুধবার তাকে বরখাস্ত করা হয়। পেতংতার্ন জানিয়েছেন, তিনি স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দ্বিধান্বিত এবং খুবই দুঃখ পেয়েছেন।

তবে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তার দল এবং দেশের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। পেতংতার্ন জানিয়েছেন, তার বাবা তাকসিন তাকে এ বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যেতে।