ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

​দাগনভূঞায় খাল খনন না করেই বরাদ্দ তোলার অভিযোগ

​শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা (ফেনী)
  • আপডেট সময় : ১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

* তদন্ত চেয়ে ডিসিকে আবেদন
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে, বাস্তবে কোনো কাজ না করেই খাতা-কলমে খাল খনন দেখিয়ে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ২নং রাজাপুর ইউনিয়নের ‘জয়নারায়ণপুর-বিরলী খাল’ এবং রাজাপুর বাজারের পশ্চিম পাশের ‘দত্তের খাল’ খনন প্রকল্পে এই অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
​এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জয়নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমরুল কায়েশ চৌধুরী। অভিযোগের একটি অনুলিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়েও পাঠানো হয়েছে।
​কাগজে-কলমে কাজ শেষ, বাস্তবে ছোঁয়াও লাগেনি ​অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী সরকারি খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জয়নারায়ণপুর মৌজার জয়নারায়ণপুর-বিরলী খালটি (বিআরএস দাগ নং-৩০০২) খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ছোট ফেনী নদীতে গিয়ে পতিত হওয়া ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের প্রজেক্টের মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।
​ স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এই খালে খননের একটা কোদালের কোপও পড়েনি। একইভাবে রাজাপুর বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ‘দত্তের খাল’ নামের অপর একটি খালও কোনো প্রকার খনন বা সংস্কার না করে সম্পূর্ণ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
​​বর্ষা মৌসুম শুরু হতে চললেও খালটি খনন না করায় এলাকার জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। বর্ষার আগে ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রধান খালটি পরিষ্কার ও খনন না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে।
খালটি পুনর্খনন না করায় আগামী কৃষি মৌসুমে ফসলি জমিতে সেচের পানির তীব্র সংকট দেখা দেবে, যা স্থানীয় কৃষিব্যবস্থাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।
​​সরকারি এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে এবং অর্থ আত্মসাতের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট সরজমিনে তদন্তপূর্বক সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

​দাগনভূঞায় খাল খনন না করেই বরাদ্দ তোলার অভিযোগ

আপডেট সময় :

* তদন্ত চেয়ে ডিসিকে আবেদন
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে, বাস্তবে কোনো কাজ না করেই খাতা-কলমে খাল খনন দেখিয়ে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ২নং রাজাপুর ইউনিয়নের ‘জয়নারায়ণপুর-বিরলী খাল’ এবং রাজাপুর বাজারের পশ্চিম পাশের ‘দত্তের খাল’ খনন প্রকল্পে এই অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
​এই বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জয়নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমরুল কায়েশ চৌধুরী। অভিযোগের একটি অনুলিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়েও পাঠানো হয়েছে।
​কাগজে-কলমে কাজ শেষ, বাস্তবে ছোঁয়াও লাগেনি ​অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী সরকারি খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জয়নারায়ণপুর মৌজার জয়নারায়ণপুর-বিরলী খালটি (বিআরএস দাগ নং-৩০০২) খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ছোট ফেনী নদীতে গিয়ে পতিত হওয়া ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের প্রজেক্টের মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।
​ স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এই খালে খননের একটা কোদালের কোপও পড়েনি। একইভাবে রাজাপুর বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ‘দত্তের খাল’ নামের অপর একটি খালও কোনো প্রকার খনন বা সংস্কার না করে সম্পূর্ণ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
​​বর্ষা মৌসুম শুরু হতে চললেও খালটি খনন না করায় এলাকার জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। বর্ষার আগে ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রধান খালটি পরিষ্কার ও খনন না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে।
খালটি পুনর্খনন না করায় আগামী কৃষি মৌসুমে ফসলি জমিতে সেচের পানির তীব্র সংকট দেখা দেবে, যা স্থানীয় কৃষিব্যবস্থাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।
​​সরকারি এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে এবং অর্থ আত্মসাতের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট সরজমিনে তদন্তপূর্বক সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।