নরসিংদীর ৫টি আসনে বিএনপির জন্য বিপদ জামায়াত-স্বতন্ত্র প্রার্থী
- আপডেট সময় : ৫০ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৪ দিন বাকী। শিল্প সমৃদ্ধ নরসিংদী জেলার ৫টি আসনে প্রতিদ্বন্ধী জামায়াতে ইসলামী এবং কতিপয় স্বতন্ত্র প্রার্থী কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবেন তার উপর নির্ভর করছে বিএনপি প্রার্থীদের নির্বাচনী ফলাফল। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের হাতের মুঠোয় থাকা এখানকার আসন গুলোতে প্রার্থীরা বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও বিজয়ের ট্রাম্প কার্ড হয়ে উঠতে পারেন আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটাররা। নরসিংদী জেলার ৫টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৪১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। তম্মধ্যে নরসিংদী সদর-১ আসনে ৮ জন, নরসিংদী-২ পলাশ আসনে ৬ জন, নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনে ৮ জন, নরসিংদী-৪ মনোহরদী-বেলাব আসনে ৯ জন এবং নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনে ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন। এ সকল প্রার্থীরা এখন তাদের নির্বাচনি প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতি দিন কাক ডাকা ভোরে তাদের কর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন এবং ভোটারদের দিচ্ছেন বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রæতি। আবার কোন কোন প্রার্থী অবকাঠামো উন্নয়ন, নরসিংদীতে একটি অত্যাধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং এখানকার সুদুর চরাঞ্চলে যুগ যুগ ধরে চলমান হত্যা এবং দলাদলি এবং সহিংসতা বন্ধ করাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন করার কথা বলছেন। বিশেষ করে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানার চেষ্টা করছেন। তবে লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে এবারের নির্বাচনে নরসিংদী সদর-১ আসনে চিনিশপুর গ্রাম থেকে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এ গ্রামের বাসিন্দা বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মো: ইব্রাহিম ভ‚ঞা এবং একই গ্রাম থেকে প্রার্থী হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদ থেকে মনোনীত শিরিন আক্তার।
এবারের নির্বাচনে এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: ইব্রাহিম ভ‚ঞা এর সাথে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে পারেন বিএনপির খায়রুল কবির খোকন।
নরসিংদী সদর আসনে জামায়াতে ইসলামীর দৃশ্যত ভোট সংখ্যা কম থাকলেও দলটির কর্মী ও সমর্থকরা ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখেন। এছাড়া টানতে পারেন অন্যান্য দলসহ সাধারণ ভোটারদেরও।
তবে আওয়ামী লীগের ভোট জামায়াতের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এ ভোটগুলো জামায়াতের প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির প্রার্থীকে সুবিধা দিতে পারে।
অপরদিকে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, দলে অপ্রত্যাশিত কোন্দল ও মান-অভিমান আছে। যেগুলো বিগত দিনে বিভিন্ন সময়ে দেখা গেছে। হামলা-মামলা-খুন-খারাপি কোনো কিছুই বাদ যায়নি। এসকল ভুলে দলীয় শতভাগ ভোটারদের কেন্দ্রে না নিতে পারলে বিপদ ঘটতে পারে। পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব-নিকাস। এতে করে বিএনপি প্রার্থীর সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইব্রাহিম ভুইয়া বলেন, “আমি এলাকায় ঘুরে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা জানার চেষ্টা করেছি। স্থায়ীভাবে এখানে বসবাসের কারণে জনগণের চাওয়া-পাওয়া সম্পর্কে আমার জানা আছে। “এরই মধ্যে ১৫টি সমস্যা চিহ্নিত করে নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করেছি। সুষ্ঠু ভোট হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন বাস্তবায়নে আমাকে জনগণ বিজয়ী করবে বলে আমি আশাবাদী।”
বিএনপি প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন বলেন, “নরসিংদী জেলা বিএনপির একটি ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানকার ৫টি আসনেই অতীতে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এবারও সবকটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন বলে তিনি আশাবাদী। এক কথায়, জেলার ৫টি আসনে বিএনপি অপ্রতিদ্বন্ধী।”
নরসীংদী-২ আসনে: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড.আব্দুল মঈন খান। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই আসনে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। এ আসনে ড. আব্দুল মঈন খানের সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন সদ্য গঠিত নতুন দল এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের প্রার্থী তরুণ নেতা গোলাম সারোয়ার (তুষার)। প্রার্থী হিসেবে নতুন হলেও তিনি এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের সংগঠিত করেছেন গোলাম সারোয়ার তুষার। তিনি বলেছেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। নির্বাচনি প্রচারে তরুণদের তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তবে ১১ দলীয় জোটের একটি অংশ মনে করেন, এ আসনে নরসিংদী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মো: আমজাদ হোসেনকে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় প্রচার-প্রচারণা করে মাঠ ঘুছিয়েও নিয়ে ছিলেন। এলাকায় তার বেশ গ্রহনযোগ্যতাও ছিলো। তিনি জোটের প্রার্থী হলে হয়তো আরো ভালো প্রতিদ্বন্ধীতা করতে পারতেন।
এনসিপি নেতা গোলাম সারোয়ার তুষার মনে করেন, নির্বাচনের প্রচারে জামায়াতে ইসলাম তাদের সর্বশক্তি নিয়েই মাঠে থাকবেন। অপরদিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খানের শতভাগ জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন। পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার বলেন, “ড. আব্দুল মঈন খান একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। একজন সৎ ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় তার বেশ সুনাম রয়েছে। তার বাবা সাবেক খাদ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোমেন খান ছিলেন নরসিংদীর উন্নয়নের রূপকার। এরই ধারাবাহিকতায় ড. আব্দুল মঈন খানও ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও তিন বারের সংসদ সদস্য।
“দল ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি পলাশ উপজেলার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন, পলাশের মানুষ সেগুলো ভুলে যায়নি।
তাই পলাশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখতে পলাশবাসী তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করতে কাজ করে যাচ্ছে।”
নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনে আব্দুল মান্নান ভুইয়ার ‘রাজনৈতিক শিষ্য’ সাবেক শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুইবারের চক্রধা ইউপির চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম মৃধা এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নরসিংদী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের দুই বারের উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর এলাহীকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন বলে দলটির একটি অংশ মনে করেন।
ফলে তিনি ‘বাইরে থেকে’ এসেছেন এমনটাও মনে করছেন শিবপুরের কিছু ভোটার। যার সুবিধা আরিফুল ইসলাম মৃধার ঝুলি ভরাতে পারে। এতে করে মনজুর এলাহীকেও সতর্ক থাকতে হচ্ছে। এ দুই প্রতিদ্বন্ধী নিজেদের বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের সদস্যসচিব আরিফ উল ইসলাম মৃধা জানান, “আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার রাজনৈতিক শিষ্য হিসেবে তার আদর্শের রাজনীতে বিশ্বাসী। আমি টানা দুইবার চক্রধা ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান ছিলাম এবং একবার শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। আমি একদিনের জন্যও শিবপুরের মা-মাটিকে ছেড়ে যাইনি। দল-মত নির্বিশেষে সবার বিপদ-আপদে পাশে থেকেছি। শিবপুরের মানুষ আমাকে ভালবাসেন, তাদের ইচ্ছাতেই আমি প্রার্থী হয়েছি এবং আমি বিজয়ী হব ইনশাল্লাহ।”
বিএনপি প্রার্থী মনজুর এলাহী বলেন, “শিবপুরের মানুষ আমাকে ভালবাসে বলেই বিপুল ভোটে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ। দলের নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে আমি পাশে ছিলাম। তারাও আমার পাশে রয়েছেন। ভবিষ্যতেও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে পাশে থাকব ইনশাল্লাহ, এ বিশ্বাস থেকেই শিবপুরবাসী আমাকে বিজয়ী করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।” সাধারণ ভোটারদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, এবার যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনজুর এলাহীকে ভোট দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিবপুরের আওয়ামীলীগের ভোটাররা জানান, তারা জামায়াতে ইসলামকে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ভোট দিবেন না। তারা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মন্জুর এলাহীকেই বেছে নিয়েছেন এবং তাকেই এবারের নির্বাচনে বিজয়ী করবেন বলে আশাব্যক্ত করেছেন। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে মনজুর এলাহীই বিজয়ের মালা ছিনিয়ে নিতে পারেন।
নরসিংদী-৪: মনোহরদী-বেলাব আসন। এখানে নব্বই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীরাই বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মনোহরদী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর কোন অস্তিত্বই নেই।
অপরদিকে বেলাব বিএনপির একটি ঘাঁটি বলে পরিচিত। বিএনপি নেতারা মনে করেন, বেলাব ও মনোহরদীতে বিএনপি প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ ভোটারদের কাছে টানতে এলাকার নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রæতি দিচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সরাসরি এলাকায় গিয়ে ভোটারদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনছেন। এসব বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রæতি দিচ্ছেন তিনি। সাধারণ ভোটারদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিজয়ের মালা ছিনিয়ে নিবেন। এতে কোন বিকল্প নেই।
২৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা নিয়ে গঠিত নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসন: এখানে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এবং অন্যতম উপদেষ্টা আমরা বিএনপি পরিবার ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। তিনি দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিস্কৃত জামাল আহমেদ চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: পনির হোসেনের চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছেন। আশরাফ উদ্দিন বকুলকে এ দুই প্রার্থীর মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এ আসনে ত্রিমুখি প্রতিদ্বন্ধীতা হবে বলে সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন। তবে ধানের শীষের পাল্লা ভারী বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকগণ জানিয়েছেন। তারা অভিমত ব্যক্ত করে বলেছেন যে, ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ভোট ভাগাভাগি হলে আওয়ামী লীগের অধিকাংশ ভোটার বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন। এছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীরা মো: জামাল আহমেদ চৌধুরী বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে প্রত্যাক্ষান করেছেন। এছাড়া এ আসনের চরাঞ্চল এলাকায় বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছে। যে প্রার্থী এই ভোটারদের কব্জা করতে পারবে তার গলাই বিজয়ে মালা পরবে। চরাঞ্চলের অধিকাংশ ভোটারদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে তারা এবার বিএনপি প্রার্থীকে ভোট দিবেন। কারন হিসেবে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল একজন সৎ ব্যক্তি এবং সমাজ সেবক। এছাড়া তিনি একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। বর্তমান সমাজে তার মতো মানুষই হয়না। তাই চরবাসী এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবার তারা ধানের শীষেই ভোট দিবেন। বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: জামাল আহমেদ চৌধুরী দিন শেষে দলের পক্ষে কাজ করবেন বলে তিনি শতভাগ আশাবাদী।















