ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাইকগাছায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাইকগাছার গদাইপুর একজন অন্ধ ও বহু লোকের কাছ থেকে ঘর ও কার্ড করে দেয়ার নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার গদাইপুর গ্রামের অন্ধ মোস্তাক গাজী ও একই এলাকার মাহমুদা বেগম গদাইপুর ইউপির ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন। ভিডিও সাক্ষাতে অভিযোগে মোস্তাক জানান মেম্বার তাকে ঘর করে দেয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা দাবী করে। সে তাকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করে। কয়েক বছর হয়ে গেলেও আজও তার ঘরের খোঁজ নেই। এছাড়া চাউলের কার্ড করে দিয়ে আরও ৫ হাজার টাকা নিয়েছে।এছাড়া তার বোন পারুলের কাছ থেকে ঘর করে দেয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে। স্থানীয় হালিমাকে চাউলের কার্ড করে দেয়ার নামে ৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। দীর্ঘ ৩ বছর চলে গেলেও এখনও তার কার্ড হয়নি। টাকা ফেরতও দেয়নি। তারা আরও বলে এভাবে বহু মানুষের কাছ থেকে ঘর ও কার্ড করে দেয়ার কথা বলে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার পতনের পর সে পলাতক ছিল। উচ্চ আদালত থেকে ১ টি নাশকতা মামলায় ৩ মাসের জমিনে আছে। ইউপি সদস্য আনিছুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি মোস্তাকের টাকা ফেরৎ দিয়ে দেবো। পারুলের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়েছি। তবে অর্থনৈতিক ভাবে খুব কষ্টে আছি। আমি কোন ঋণ থাকবোনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাইকগাছায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় :

পাইকগাছার গদাইপুর একজন অন্ধ ও বহু লোকের কাছ থেকে ঘর ও কার্ড করে দেয়ার নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার গদাইপুর গ্রামের অন্ধ মোস্তাক গাজী ও একই এলাকার মাহমুদা বেগম গদাইপুর ইউপির ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন। ভিডিও সাক্ষাতে অভিযোগে মোস্তাক জানান মেম্বার তাকে ঘর করে দেয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা দাবী করে। সে তাকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করে। কয়েক বছর হয়ে গেলেও আজও তার ঘরের খোঁজ নেই। এছাড়া চাউলের কার্ড করে দিয়ে আরও ৫ হাজার টাকা নিয়েছে।এছাড়া তার বোন পারুলের কাছ থেকে ঘর করে দেয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছে। স্থানীয় হালিমাকে চাউলের কার্ড করে দেয়ার নামে ৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। দীর্ঘ ৩ বছর চলে গেলেও এখনও তার কার্ড হয়নি। টাকা ফেরতও দেয়নি। তারা আরও বলে এভাবে বহু মানুষের কাছ থেকে ঘর ও কার্ড করে দেয়ার কথা বলে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার পতনের পর সে পলাতক ছিল। উচ্চ আদালত থেকে ১ টি নাশকতা মামলায় ৩ মাসের জমিনে আছে। ইউপি সদস্য আনিছুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি মোস্তাকের টাকা ফেরৎ দিয়ে দেবো। পারুলের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়েছি। তবে অর্থনৈতিক ভাবে খুব কষ্টে আছি। আমি কোন ঋণ থাকবোনা।