ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে: নাহিদ ইসলাম Logo আদমদীঘিতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo গৌরীপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ, স্বর্ণের চেইন ছিনতাই Logo সেন্টমার্টিনে ১০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে কোস্ট গার্ডের ত্রাণ সহায়তা Logo গোমস্তাপুরে পৃথক অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo আগৈলঝাড়া থানায় হামলার মামলায় ১৮ জন গ্রেপ্তার Logo নান্দাইলে আধুনিক রেলস্টেশন ও এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবি Logo মাদক নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের ভূমিকা নিয়ে নড়াইলে আলোচনা Logo ঘাটাইলে মিন্টু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন Logo নান্দাইলে ব্রিজের পাশের মাটি সরে দুর্ভোগ, ঝুঁকিতে দুই উপজেলার মানুষ

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

মনির হোসেন, মোংলা
  • আপডেট সময় : ২০৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

আপডেট সময় :

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।