ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য খাতে জাতীয় স্বর্ণপদক পেলেন দাউদকান্দির রহমত আলী

মো. মনির হোসেন, দাউদকান্দি (কুমিল্লা)
  • আপডেট সময় : ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর সিঙ্গুলা গ্রামের সন্তান ও রহমত ফিশারিজের স্বত্বাধিকারী রহমত আলী মৎস্য খাতে জাতীয় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের হাত থেকে এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।
তিনি উপজেলার ইলিয়াটগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সিঙ্গুলা গ্রামের মরহুম হাজী নায়েব আলীর ছেলে। পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় রহমত আলী বলেন, ‘এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়, পুরো দাউদকান্দি ও কুমিল্লার মানুষের গর্বের প্রতীক।
দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সফলভাবে মাছ উৎপাদন করে আসছেন তিনি। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠিত মাছের প্রজেক্টে প্রায় ৬০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার উদ্যোগ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা মৎস্য খাতে যুক্ত হয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মৎস্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য রহমত আলীর এই স্বর্ণপদককে দাউদকান্দি ও কুমিল্লার মানুষ ব্যতিক্রমী এক অর্জন হিসেবে দেখছেন।
এদিকে, জাতীয় পর্যায়ে এই অর্জনের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সর্বস্তরের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। অনেকেই এটিকে কুমিল্লার মানুষের সম্মিলিত অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মৎস্য খাতে জাতীয় স্বর্ণপদক পেলেন দাউদকান্দির রহমত আলী

আপডেট সময় :

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর সিঙ্গুলা গ্রামের সন্তান ও রহমত ফিশারিজের স্বত্বাধিকারী রহমত আলী মৎস্য খাতে জাতীয় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের হাত থেকে এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।
তিনি উপজেলার ইলিয়াটগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সিঙ্গুলা গ্রামের মরহুম হাজী নায়েব আলীর ছেলে। পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় রহমত আলী বলেন, ‘এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়, পুরো দাউদকান্দি ও কুমিল্লার মানুষের গর্বের প্রতীক।
দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সফলভাবে মাছ উৎপাদন করে আসছেন তিনি। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠিত মাছের প্রজেক্টে প্রায় ৬০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার উদ্যোগ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা মৎস্য খাতে যুক্ত হয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মৎস্য খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য রহমত আলীর এই স্বর্ণপদককে দাউদকান্দি ও কুমিল্লার মানুষ ব্যতিক্রমী এক অর্জন হিসেবে দেখছেন।
এদিকে, জাতীয় পর্যায়ে এই অর্জনের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সর্বস্তরের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। অনেকেই এটিকে কুমিল্লার মানুষের সম্মিলিত অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।