ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

সাতক্ষীরায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে স্বামী উধাও, ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল মরদেহ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাসলিমা খাতুন দেবহাটা উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। স্থানীয়রা জানান, স্বামী সাদ্দাম হোসেন তার নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এছাড়া তাসলিমা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংসারে অভাব-অনটনের কারণে দাম্পত্য কলহ চলছিল। সম্প্রতি তাসলিমা তার বাবার বাড়ি থেকে একটি ছাগল এনে পালন করছিলেন। পরে সেই ছাগলটি স্ত্রীকে না জানিয়ে বিক্রি করে দিলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার রাতে ছেলে ও মেয়েকে পাশের একটি ঘরে আটকে রেখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। কিছুক্ষন পর প্রতিবেশীরা এসে তাসলিমার গলাকাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঐ রাতেই সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সাতক্ষীরায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে জবাই করে স্বামী উধাও, ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল মরদেহ

আপডেট সময় :

সাতক্ষীরায় এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাসলিমা খাতুন দেবহাটা উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। স্থানীয়রা জানান, স্বামী সাদ্দাম হোসেন তার নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এছাড়া তাসলিমা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংসারে অভাব-অনটনের কারণে দাম্পত্য কলহ চলছিল। সম্প্রতি তাসলিমা তার বাবার বাড়ি থেকে একটি ছাগল এনে পালন করছিলেন। পরে সেই ছাগলটি স্ত্রীকে না জানিয়ে বিক্রি করে দিলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার রাতে ছেলে ও মেয়েকে পাশের একটি ঘরে আটকে রেখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। কিছুক্ষন পর প্রতিবেশীরা এসে তাসলিমার গলাকাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঐ রাতেই সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।