ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

ঈদে অঞ্চল ভিত্তিক খাবার

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পৃথিবী জুড়েই অঞ্চলভিত্তিক খাবারের রেওয়া রয়েছে। এক অঞ্চলের খাবারের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের খাবারে মিল থাকে না। এটাই স্বাভাবিক।

কোন অঞ্চলে খুবই মসলাদার খাবার পছন্দ আবার কোন অঞ্চলে খুবই মিষ্টি খাবারেই নিজেদের তৃপ্তি মেলে।

আর এই ঈদে ভোজন রসিক বাঙালি নিজে যেমন খেতে ভালোবাসে, তেমনি অন্যকে অপ্যায়ন করতে পিছ পা হন না। ঈদ-পার্বনে মাংস, পোলাও, সেমাই, ফিরনি ইত্রাদি খাওয়া স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।

আবার কোন কোন অঞ্চলের খাবার ভিন্ন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ঈদে নওগাঁর মানুষের খাবারের তালিকায় পোলাও-মাংস এবং ফিরনি-সেমাইয়ের পাশাপাশি থাকে হাঁসের মাংস, বোরহানি এবং বিভিন্ন রকমের পিঠা।

খুলনা অঞ্চলে ঈদের নামাজের আগে-পরে ঘরে ঘরে সেমাই-ফিরনি খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। পাশাপাশি পোলাও, গরুর মাংস, বিরিয়ানি এসবই রান্না হয়। সঙ্গে খাওয়া হয় চটপটি।

 


চট্টগ্রামের মানুষ খান গরুর মেজবান। আবার পাবনায় ঈদে বাড়িতে বাড়িতে খিচুড়ি খাওয়ার প্রচলন প্রাচীন।

তেলের পিঠা চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় খাবার। ঈদে প্রায় সবার বাড়ি তৈরি হয় তেলে পিঠা।

আর রাজশাহীতে গরুর মাংস এবং পোলাও খাওয়া রেওয়াজ রয়েছে। এছাড়া কালাই রুটি ও ভর্তা, বট (গরুর ভুঁড়ি ভাজা) এবং পরোটা, কালাভুনা, হাঁসের মাংস, খিচুড়ি এবং মাংসের টিকিয়া।

বাগেরহাটে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি জর্দা, লাচ্চি, ফিরনি, চটপটি এবং হালিম খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

ঈদে সিলেট অঞ্চলের মানুষ পুলিপিঠা, হান্দেশ (পুয়া পিঠা জাতীয়) এবং মাংস দিয়ে তৈরি পিঠা খান।

ঈদে মলিদা এবং নারকেল চিংড়ি দারুণ জনপ্রিয় বরিশালের মানুষদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঈদে অঞ্চল ভিত্তিক খাবার

আপডেট সময় : ০৮:১৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৪

 

পৃথিবী জুড়েই অঞ্চলভিত্তিক খাবারের রেওয়া রয়েছে। এক অঞ্চলের খাবারের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের খাবারে মিল থাকে না। এটাই স্বাভাবিক।

কোন অঞ্চলে খুবই মসলাদার খাবার পছন্দ আবার কোন অঞ্চলে খুবই মিষ্টি খাবারেই নিজেদের তৃপ্তি মেলে।

আর এই ঈদে ভোজন রসিক বাঙালি নিজে যেমন খেতে ভালোবাসে, তেমনি অন্যকে অপ্যায়ন করতে পিছ পা হন না। ঈদ-পার্বনে মাংস, পোলাও, সেমাই, ফিরনি ইত্রাদি খাওয়া স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।

আবার কোন কোন অঞ্চলের খাবার ভিন্ন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ঈদে নওগাঁর মানুষের খাবারের তালিকায় পোলাও-মাংস এবং ফিরনি-সেমাইয়ের পাশাপাশি থাকে হাঁসের মাংস, বোরহানি এবং বিভিন্ন রকমের পিঠা।

খুলনা অঞ্চলে ঈদের নামাজের আগে-পরে ঘরে ঘরে সেমাই-ফিরনি খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। পাশাপাশি পোলাও, গরুর মাংস, বিরিয়ানি এসবই রান্না হয়। সঙ্গে খাওয়া হয় চটপটি।

 


চট্টগ্রামের মানুষ খান গরুর মেজবান। আবার পাবনায় ঈদে বাড়িতে বাড়িতে খিচুড়ি খাওয়ার প্রচলন প্রাচীন।

তেলের পিঠা চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় খাবার। ঈদে প্রায় সবার বাড়ি তৈরি হয় তেলে পিঠা।

আর রাজশাহীতে গরুর মাংস এবং পোলাও খাওয়া রেওয়াজ রয়েছে। এছাড়া কালাই রুটি ও ভর্তা, বট (গরুর ভুঁড়ি ভাজা) এবং পরোটা, কালাভুনা, হাঁসের মাংস, খিচুড়ি এবং মাংসের টিকিয়া।

বাগেরহাটে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি জর্দা, লাচ্চি, ফিরনি, চটপটি এবং হালিম খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

ঈদে সিলেট অঞ্চলের মানুষ পুলিপিঠা, হান্দেশ (পুয়া পিঠা জাতীয়) এবং মাংস দিয়ে তৈরি পিঠা খান।

ঈদে মলিদা এবং নারকেল চিংড়ি দারুণ জনপ্রিয় বরিশালের মানুষদের।