ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নকলা হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন Logo ক্রীড়াঙ্গনে ইউএনও’র অবদান, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬ এ চ্যাম্পিয়ন নগরকান্দা উপজেলা Logo কৃষকদের সাথে জেলা প্রশাসক, কালেক্টর,বিজ্ঞজেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মতবিনিময় Logo মোংলায় উপজেলা বহুপক্ষীয় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্কের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo নবীনগরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য বদলে যান : কারা বন্দিদের ডিসি জাহিদ Logo মাগুরায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ Logo পাইকগাছা কপিলমুনিতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আশ্বাস দিলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ Logo ‘নিজেদের সম্পদ থাকতে আমদানি নয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে’ Logo অস্ত্রের মুখে ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা লুট

ধান-মাছ যৌথচাষের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করল চীন

ফয়সল আবদুল্লাহ
  • আপডেট সময় : ৬৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাচীনকালে ধান-মাছের যৌথ চাষপদ্ধতির প্রচলন ছিল চীনজুড়ে। এর কার্যকারিতা এবার বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন শাংহাইভিত্তিক গবেষকেরা। ইস্ট চায়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৮টি দেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখেছেন, এই পদ্ধতি ধানের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে কীটপতঙ্গ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গবেষকরা চার বছর মাঠপরীক্ষায় দেখেছেন, ধান-মাছ সহচাষ এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং শিকারি মাকড়সার সংখ্যা বাড়ে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রচলিত একক ধানচাষের তুলনায় ধান-মাছ সহচাষ ব্যবস্থায় ধানের ফলন গড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিতে থাকা মাছের কারণে উপকারী অমেরুদণ্ডী শিকারি প্রাণী ও পরজীবী কীটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকামাকড় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ, রোগবালাই ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আগাছা ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের অধ্যাপক ওয়ান নিয়ানফেং বলেন, এই পদ্ধতি খাদ্য নিরাপত্তা, কীটনাশক ব্যবহার কমানো, কৃষিজ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
চীন, ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের যৌথ গবেষণাপত্রটি সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএমজি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধান-মাছ যৌথচাষের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করল চীন

আপডেট সময় :

প্রাচীনকালে ধান-মাছের যৌথ চাষপদ্ধতির প্রচলন ছিল চীনজুড়ে। এর কার্যকারিতা এবার বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন শাংহাইভিত্তিক গবেষকেরা। ইস্ট চায়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৮টি দেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখেছেন, এই পদ্ধতি ধানের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে কীটপতঙ্গ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গবেষকরা চার বছর মাঠপরীক্ষায় দেখেছেন, ধান-মাছ সহচাষ এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং শিকারি মাকড়সার সংখ্যা বাড়ে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রচলিত একক ধানচাষের তুলনায় ধান-মাছ সহচাষ ব্যবস্থায় ধানের ফলন গড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিতে থাকা মাছের কারণে উপকারী অমেরুদণ্ডী শিকারি প্রাণী ও পরজীবী কীটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকামাকড় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ, রোগবালাই ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আগাছা ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের অধ্যাপক ওয়ান নিয়ানফেং বলেন, এই পদ্ধতি খাদ্য নিরাপত্তা, কীটনাশক ব্যবহার কমানো, কৃষিজ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
চীন, ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের যৌথ গবেষণাপত্রটি সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএমজি