ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

ধান-মাছ যৌথচাষের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করল চীন

ফয়সল আবদুল্লাহ
  • আপডেট সময় : ২১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাচীনকালে ধান-মাছের যৌথ চাষপদ্ধতির প্রচলন ছিল চীনজুড়ে। এর কার্যকারিতা এবার বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন শাংহাইভিত্তিক গবেষকেরা। ইস্ট চায়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৮টি দেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখেছেন, এই পদ্ধতি ধানের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে কীটপতঙ্গ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গবেষকরা চার বছর মাঠপরীক্ষায় দেখেছেন, ধান-মাছ সহচাষ এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং শিকারি মাকড়সার সংখ্যা বাড়ে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রচলিত একক ধানচাষের তুলনায় ধান-মাছ সহচাষ ব্যবস্থায় ধানের ফলন গড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিতে থাকা মাছের কারণে উপকারী অমেরুদণ্ডী শিকারি প্রাণী ও পরজীবী কীটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকামাকড় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ, রোগবালাই ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আগাছা ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের অধ্যাপক ওয়ান নিয়ানফেং বলেন, এই পদ্ধতি খাদ্য নিরাপত্তা, কীটনাশক ব্যবহার কমানো, কৃষিজ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
চীন, ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের যৌথ গবেষণাপত্রটি সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএমজি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধান-মাছ যৌথচাষের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করল চীন

আপডেট সময় :

প্রাচীনকালে ধান-মাছের যৌথ চাষপদ্ধতির প্রচলন ছিল চীনজুড়ে। এর কার্যকারিতা এবার বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন শাংহাইভিত্তিক গবেষকেরা। ইস্ট চায়না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ১৮টি দেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখেছেন, এই পদ্ধতি ধানের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে কীটপতঙ্গ ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গবেষকরা চার বছর মাঠপরীক্ষায় দেখেছেন, ধান-মাছ সহচাষ এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এবং শিকারি মাকড়সার সংখ্যা বাড়ে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রচলিত একক ধানচাষের তুলনায় ধান-মাছ সহচাষ ব্যবস্থায় ধানের ফলন গড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে জমিতে থাকা মাছের কারণে উপকারী অমেরুদণ্ডী শিকারি প্রাণী ও পরজীবী কীটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকামাকড় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ, রোগবালাই ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আগাছা ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের অধ্যাপক ওয়ান নিয়ানফেং বলেন, এই পদ্ধতি খাদ্য নিরাপত্তা, কীটনাশক ব্যবহার কমানো, কৃষিজ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর সমাধান দিতে পারে।
চীন, ফ্রান্স, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকদের যৌথ গবেষণাপত্রটি সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএমজি