ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

শেরপুরে নাবিল হাইওয়ে হোটেলের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্ন

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা এলাকায় নাবিল হাইওয়ে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনের ইউটার্ন এখন যেন দুর্ঘটনার আরেক নাম। প্রতিদিনই এই স্থানে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী, রিকশা-ভ্যানচালক, মোটরসাইকেল আরোহীসহ সাধারণ যানবাহনগুলোকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নাবিল হাইওয়ের সামনে থাকা ইউটার্নটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হাইওয়ে সড়কের দ্রুতগতির কোচগুলো হঠাৎ করে ইউটার্ন নেওয়ায় পাশের গ্রামগুলোর মানুষজন রিকশাভ্যান বা মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে কয়েকবার পিছনে তাকালেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। এর মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা।
কিছুদিন আগে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য রাস্তা পারাপারের সময় এই ইউটার্নে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারান। এরপরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বুধবার হাইওয়ে সড়কের এই ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নটি বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলেও নাবিল হাইওয়ে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের কিছু কর্মচারীর বাধার মুখে রাস্তা সংস্কারের কাজ বন্ধ রাখা হয়। এতে করে ক্রমেই বাড়ছে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা।
এলাকাবাসীদের দাবি ইউটার্নটি অবিলম্বে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
ইউটার্ন বন্ধ না করা পর্যন্ত প্রশাসনের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত লোককে সেখানে সার্বক্ষণিক অবস্থান করাতে হবে, যাতে দুর্ঘটনা অন্তত কমে আসে।
ছোনকা বাজারের আন্ডারপাস দিয়ে নিরাপদে গাড়ি পারাপারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এই ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্ন চালু রাখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন “হাইওয়ে সড়কে দ্রুতগতির গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক ঘটনা। তবুও এই ইউটার্নটি খোলা রাখা হলে দুর্ঘটনার দায় নেবে কে?”
এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, আর কোনো প্রাণহানি নয়—ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নটি বন্ধ করতেই হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুরে নাবিল হাইওয়ে হোটেলের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্ন

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

আপডেট সময় :

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা এলাকায় নাবিল হাইওয়ে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনের ইউটার্ন এখন যেন দুর্ঘটনার আরেক নাম। প্রতিদিনই এই স্থানে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী, রিকশা-ভ্যানচালক, মোটরসাইকেল আরোহীসহ সাধারণ যানবাহনগুলোকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নাবিল হাইওয়ের সামনে থাকা ইউটার্নটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হাইওয়ে সড়কের দ্রুতগতির কোচগুলো হঠাৎ করে ইউটার্ন নেওয়ায় পাশের গ্রামগুলোর মানুষজন রিকশাভ্যান বা মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে কয়েকবার পিছনে তাকালেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। এর মধ্যেই ঘটে দুর্ঘটনা।
কিছুদিন আগে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য রাস্তা পারাপারের সময় এই ইউটার্নে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারান। এরপরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বুধবার হাইওয়ে সড়কের এই ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নটি বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলেও নাবিল হাইওয়ে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের কিছু কর্মচারীর বাধার মুখে রাস্তা সংস্কারের কাজ বন্ধ রাখা হয়। এতে করে ক্রমেই বাড়ছে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা।
এলাকাবাসীদের দাবি ইউটার্নটি অবিলম্বে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
ইউটার্ন বন্ধ না করা পর্যন্ত প্রশাসনের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত লোককে সেখানে সার্বক্ষণিক অবস্থান করাতে হবে, যাতে দুর্ঘটনা অন্তত কমে আসে।
ছোনকা বাজারের আন্ডারপাস দিয়ে নিরাপদে গাড়ি পারাপারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এই ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্ন চালু রাখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।
স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন “হাইওয়ে সড়কে দ্রুতগতির গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক ঘটনা। তবুও এই ইউটার্নটি খোলা রাখা হলে দুর্ঘটনার দায় নেবে কে?”
এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, আর কোনো প্রাণহানি নয়—ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নটি বন্ধ করতেই হবে।