ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পেঁয়াজের দাম কিছুটা বৃদ্ধি, কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

মো. ইমরান মোল্লা, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর)
  • আপডেট সময় : ৩৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের সহস্রাইল বাজারের পেঁয়াজ হাটে দীর্ঘদিন পর কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১,৬৫০ থেকে ১,৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কিছুটা বাড়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে উৎপাদন খরচের তুলনায় পেঁয়াজের বাজারমূল্য অনেক কম থাকায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। বর্তমান মূল্যবৃদ্ধিতে সেই ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন তারা। কৃষকদের দাবি, এ ধরনের মূল্য স্থিতিশীল থাকলে তারা ন্যায্য লাভের মুখ দেখতে পারবেন এবং ভবিষ্যতেও পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় চাহিদা বেড়েছে। ফলে পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেনার আগ্রহও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি চালানে কিছুটা লাভ হওয়ায় আগের তুলনায় বাজারে ব্যাপারীদের উপস্থিতিও বেড়েছে।
তবে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বর্তমান মূল্য দীর্ঘদিন স্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের মতে, বৃষ্টিপাত কমে গেলে এবং বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে প্রতি মণে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে আসতে পারে।
অন্যদিকে কৃষকদের প্রত্যাশা, পেঁয়াজের এমন একটি ন্যায্য মূল্য বজায় থাকুক, যাতে তারা উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভ করতে পারেন। তাদের ভাষ্য, গত চার থেকে পাঁচ মাস ধরে কম দামের কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ী—উভয়েই লোকসানের মুখে পড়েছেন। তাই বর্তমান মূল্য বৃদ্ধি তাদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পেঁয়াজের দাম কিছুটা বৃদ্ধি, কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

আপডেট সময় :

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের সহস্রাইল বাজারের পেঁয়াজ হাটে দীর্ঘদিন পর কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১,৬৫০ থেকে ১,৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কিছুটা বাড়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে উৎপাদন খরচের তুলনায় পেঁয়াজের বাজারমূল্য অনেক কম থাকায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। বর্তমান মূল্যবৃদ্ধিতে সেই ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন তারা। কৃষকদের দাবি, এ ধরনের মূল্য স্থিতিশীল থাকলে তারা ন্যায্য লাভের মুখ দেখতে পারবেন এবং ভবিষ্যতেও পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় চাহিদা বেড়েছে। ফলে পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেনার আগ্রহও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি চালানে কিছুটা লাভ হওয়ায় আগের তুলনায় বাজারে ব্যাপারীদের উপস্থিতিও বেড়েছে।
তবে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বর্তমান মূল্য দীর্ঘদিন স্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের মতে, বৃষ্টিপাত কমে গেলে এবং বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে প্রতি মণে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে আসতে পারে।
অন্যদিকে কৃষকদের প্রত্যাশা, পেঁয়াজের এমন একটি ন্যায্য মূল্য বজায় থাকুক, যাতে তারা উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভ করতে পারেন। তাদের ভাষ্য, গত চার থেকে পাঁচ মাস ধরে কম দামের কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ী—উভয়েই লোকসানের মুখে পড়েছেন। তাই বর্তমান মূল্য বৃদ্ধি তাদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।