ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে চিলমারী রক্ষার দাবি, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহ্বান Logo ‘সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে’—সিরাজগঞ্জে মন্ত্রী টুকু Logo সুবর্ণচরে মৎস্য প্রজেক্ট দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, মানববন্ধনে বাধার দাবি Logo বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্টগার্ডের Logo বন্ধ পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি Logo নোয়াখালীতে ট্রাকের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত Logo ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক র‍্যালি Logo জনবল সংকট ও দালালচক্রে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি

মোংলা বন্দর হবে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আধুনিক বাণিজ্যের হাব

মনির হোসেন, মোংলা
  • আপডেট সময় : ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মোংলা। পুরো বন্দর এলাকা জুড়ে চলছে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা জাহাজ আগমন যেভাবে বাড়ছে এমনটা অব্যাহত থাকলে এ অর্থবছরেই ৯০০ বিদেশি জাহাজ আগমনের রেকর্ড ছাড়াবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মোংলা বন্দর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার। শীঘ্রই মোংলা বন্দর আঞ্চলিক ও আধুনিক বাণিজ্যের হাব হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচিতি পাবে। এ বন্দরটিকে আরো লাভজনক বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে সরকারের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্রটি আরো জানায়, চীন মোংলা বন্দর নিয়ে অনেক আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতির পরাশক্তি চীনের সহায়তায় মোংলা বন্দরের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। কাজেই এ বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য সরকার যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও আধুনিক বাণিজ্যের হাব।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, বর্তমানে বন্দরের মোট সক্ষমতার ৬০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা বন্দরের শতভাগ সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি। আশা করছি দ্রুত সুফল পাবো। বন্দরের এ শীর্ষ কর্মকর্তা আরো বলেন, এ বন্দরকে শতভাগ ব্যবহার করা গেলে বছরে ১৫০০ বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ আগমন, ১ লাখ টিইউজ কন্টেইনার, ২ কোটি মেট্রিকটন কার্গো হ্যান্ডলিং, ২০ হাজার রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি এবং বছরে ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৩৯ দিনে বন্দরে মোট ৮৫টি জাহাজ নোঙর করেছে। গেল জুলাইতে মোংলা বন্দর দিয়ে মোট ৫১৮টি গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৪ হাজার ৪৫৯ টিইউজ। কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার মেট্রিকটন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মোংলা বন্দর হবে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আধুনিক বাণিজ্যের হাব

আপডেট সময় :

নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মোংলা। পুরো বন্দর এলাকা জুড়ে চলছে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা জাহাজ আগমন যেভাবে বাড়ছে এমনটা অব্যাহত থাকলে এ অর্থবছরেই ৯০০ বিদেশি জাহাজ আগমনের রেকর্ড ছাড়াবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মোংলা বন্দর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার। শীঘ্রই মোংলা বন্দর আঞ্চলিক ও আধুনিক বাণিজ্যের হাব হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচিতি পাবে। এ বন্দরটিকে আরো লাভজনক বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে সরকারের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্রটি আরো জানায়, চীন মোংলা বন্দর নিয়ে অনেক আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতির পরাশক্তি চীনের সহায়তায় মোংলা বন্দরের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। কাজেই এ বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য সরকার যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ও আধুনিক বাণিজ্যের হাব।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, বর্তমানে বন্দরের মোট সক্ষমতার ৬০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা বন্দরের শতভাগ সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি। আশা করছি দ্রুত সুফল পাবো। বন্দরের এ শীর্ষ কর্মকর্তা আরো বলেন, এ বন্দরকে শতভাগ ব্যবহার করা গেলে বছরে ১৫০০ বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ আগমন, ১ লাখ টিইউজ কন্টেইনার, ২ কোটি মেট্রিকটন কার্গো হ্যান্ডলিং, ২০ হাজার রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি এবং বছরে ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৩৯ দিনে বন্দরে মোট ৮৫টি জাহাজ নোঙর করেছে। গেল জুলাইতে মোংলা বন্দর দিয়ে মোট ৫১৮টি গাড়ি আমদানি করা হয়েছে। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৪ হাজার ৪৫৯ টিইউজ। কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার মেট্রিকটন।