মোবাইল কোর্টে জব্দ দুই বালুভর্তি ট্রলার ছিনতাই
- আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা দুইটি বালুভর্তি ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের লাটিয়ামারি ঘাট ও ব্রহ্মপুত্র নদের মাঝপথে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানের নেতৃত্বে উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচার চর ও রাজিবপুর ইউনিয়নের চর রামমোহন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বালুভর্তি দুইটি ট্রলার জব্দ করা হয়। প্রথমে দুইজনকে আটক করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ট্রলার দুটি নিরাপদ স্থানে নেওয়ার পথে একদল ব্যক্তি সেগুলো ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রাজিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক বলেন, প্রশাসনের অনুরোধে নিরাপত্তার শর্তে জব্দ করা ট্রলার দুটি তাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত স্থানে নেওয়ার আগেই এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ট্রলার দুটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
একই অভিযোগ করে রাজিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন বলেন, মরিচার চর এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাঝনদীতে হামলা চালিয়ে একটি ট্রলার ছিনিয়ে নেয়। পরে লাটিয়ামারি ঘাটে রাখা অপর ট্রলারটিও নিয়ে যায়। এ সময় এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করেন বলেও তিনি দাবি করেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদ মোশাররফ বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে থানা পুলিশের একটি দল অংশ নিয়েছিল। জব্দ করা ট্রলার দুটি স্থানীয়ভাবে একজনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। পরে ট্রলারের মালিকপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে ট্রলার দুটি নিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তাই তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।















