ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সৎ বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ Logo মুন্সীগঞ্জে এনটিভির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo পাচুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন Logo প্রত্যাশীর উদ্যোগে প্রবাসী পরিবারের নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে ব্যবসা সহায়তার চেক বিতরণ Logo ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে

আবু বক্করের ইয়াবা লুটের ১১ দিন, তদন্তে রহস্যজনক গড়িমসি

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার আবু বক্করের বিরুদ্ধে বার্মিজ গরু ও মাদক চোরাচালান, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি এবং ইয়াবা লুটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোছড়ি ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার মৃত আবদুল আলীর ছেলে আবু বক্কর গ্রাম পুলিশের পোশাকের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত চোরাচালান, ইয়াবা ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চোরাকারবারিদের কাছ থেকে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের একটি ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে, যা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে গত ২০ ফেব্রুয়ারি। অভিযোগ রয়েছে, একই ইউনিয়নের সিলঘাটা এলাকার রিয়াজ উদ্দীনের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে কৌশলে তাকে নিজ বাসায় নিয়ে যান আবু বক্কর। পরে ওই চালান থেকে ৮ হাজারের বেশি ইয়াবা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের কাছে ১ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ রিয়াজ উদ্দীনকে সোপর্দ করেন।
ঘটনাটি দ্রুতই ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয় এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। তবে ঘটনার ১১ দিন অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন”বিষয়টি থানার এখতিয়ারভুক্ত।এখানে ইউএনও এর করার কিছুই নাই”। অন্যদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল বাতেন মৃধা জানান “ইউএনও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন”।
এ বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন,”তিনি অভিযোগের বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেওয়া হবে”। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাহবুবুল করিম।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে বলে জানা গেছে। পরবর্তী পর্বে থাকছে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অভিযোগের বিস্তারিত অনুসন্ধান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবু বক্করের ইয়াবা লুটের ১১ দিন, তদন্তে রহস্যজনক গড়িমসি

আপডেট সময় :

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার আবু বক্করের বিরুদ্ধে বার্মিজ গরু ও মাদক চোরাচালান, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি এবং ইয়াবা লুটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোছড়ি ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার মৃত আবদুল আলীর ছেলে আবু বক্কর গ্রাম পুলিশের পোশাকের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত চোরাচালান, ইয়াবা ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চোরাকারবারিদের কাছ থেকে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের একটি ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে, যা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে গত ২০ ফেব্রুয়ারি। অভিযোগ রয়েছে, একই ইউনিয়নের সিলঘাটা এলাকার রিয়াজ উদ্দীনের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে কৌশলে তাকে নিজ বাসায় নিয়ে যান আবু বক্কর। পরে ওই চালান থেকে ৮ হাজারের বেশি ইয়াবা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের কাছে ১ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ রিয়াজ উদ্দীনকে সোপর্দ করেন।
ঘটনাটি দ্রুতই ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয় এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। তবে ঘটনার ১১ দিন অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন”বিষয়টি থানার এখতিয়ারভুক্ত।এখানে ইউএনও এর করার কিছুই নাই”। অন্যদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল বাতেন মৃধা জানান “ইউএনও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন”।
এ বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন,”তিনি অভিযোগের বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেওয়া হবে”। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাহবুবুল করিম।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে বলে জানা গেছে। পরবর্তী পর্বে থাকছে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অভিযোগের বিস্তারিত অনুসন্ধান।