ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আশুলিয়ায় ফুটপাতে ব্যাপক চাঁদাবাজি

আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশুলিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত চলছে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজি।চাঁদা না পেলে লাঞ্চিত করে রুটি-রুজির শেষ ভরসা ফুটপাতের হকারদের বসার স্থানটুকু ছিনিয়ে নিচ্ছে ঐসব ক্ষমতাশীল চাঁদাবাজগং।এমন অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
রোববার সন্ধ্যা রাতে আশুলিয়ার ডি.ইপিজেড এলাকায়,বলিভদ্র মন্ডল মার্কেটের সামনে মহাসড়কের ফুটপাতে দেখাযায় মোঃ ফয়সাল হোসেন(২৪),পিতা-আব্দুল জলিল নামে একজন প্রতিটি হকারদের নিকট থেকে নিত্যদিন ৮২টি দোকান থেকে ৫০ হতে ১৫০ ও সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা এবং ডি.ইপিজেড পুরাতন জোনের ফুটওভার ব্রীজ থেকে শুরু করে ১২৩(একশত তেইশ)টি ও ডি.ইপিজেড নতুন জোন এর সামনে থেকে হাসেম প্লাজা পর্যন্ত ৫৮টি দোকানে হকারদের নিকট হতে রোকন নামে একজনের নেতৃত্বে মোঃ জাকির হোসেন নামে একজন লাইট বিল বাবদ ৫০ হতে ১৫০ এবং সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা হারে চাঁদা আদায় করে আসছেন বলে জানান হকারগণ।তারা আরো বলেন, চাঁদার টাকা না দিলে লাঞ্চিত করে ফুটপাত থেকে জোর-জলুমে মালামাল ছরিয়ে-ছিটিয়ে নষ্ট করে ফেলে দেওয়া-সহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফুটপাতে বসার স্থানটি ছিনিয়ে নেয় চাঁদাবাজরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের পর বছর ধরে চাঁদাবাজি চলে আসলেও নেই স্থায়ী কোন কঠোর আইনি ব্যবস্থা । যে দল-ই ক্ষমতায় আসে সেই দলের স্থানীয় রাজনৈতিক ক্ষমতাশীলদের ছত্র-ছায়ায় এই চাঁদাবাজি চলে আসছ।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম দৈনিক গণমুক্তিকে জানান যে,বিষয়টি তার জানা নেই।সঠিক তথ্য পেলে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আশুলিয়ায় ফুটপাতে ব্যাপক চাঁদাবাজি

আপডেট সময় :

আশুলিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত চলছে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজি।চাঁদা না পেলে লাঞ্চিত করে রুটি-রুজির শেষ ভরসা ফুটপাতের হকারদের বসার স্থানটুকু ছিনিয়ে নিচ্ছে ঐসব ক্ষমতাশীল চাঁদাবাজগং।এমন অভিযোগ উঠেছে কিছু অসাধু ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
রোববার সন্ধ্যা রাতে আশুলিয়ার ডি.ইপিজেড এলাকায়,বলিভদ্র মন্ডল মার্কেটের সামনে মহাসড়কের ফুটপাতে দেখাযায় মোঃ ফয়সাল হোসেন(২৪),পিতা-আব্দুল জলিল নামে একজন প্রতিটি হকারদের নিকট থেকে নিত্যদিন ৮২টি দোকান থেকে ৫০ হতে ১৫০ ও সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা এবং ডি.ইপিজেড পুরাতন জোনের ফুটওভার ব্রীজ থেকে শুরু করে ১২৩(একশত তেইশ)টি ও ডি.ইপিজেড নতুন জোন এর সামনে থেকে হাসেম প্লাজা পর্যন্ত ৫৮টি দোকানে হকারদের নিকট হতে রোকন নামে একজনের নেতৃত্বে মোঃ জাকির হোসেন নামে একজন লাইট বিল বাবদ ৫০ হতে ১৫০ এবং সিকিউরিটি গার্ড এর নামে প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা হারে চাঁদা আদায় করে আসছেন বলে জানান হকারগণ।তারা আরো বলেন, চাঁদার টাকা না দিলে লাঞ্চিত করে ফুটপাত থেকে জোর-জলুমে মালামাল ছরিয়ে-ছিটিয়ে নষ্ট করে ফেলে দেওয়া-সহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফুটপাতে বসার স্থানটি ছিনিয়ে নেয় চাঁদাবাজরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের পর বছর ধরে চাঁদাবাজি চলে আসলেও নেই স্থায়ী কোন কঠোর আইনি ব্যবস্থা । যে দল-ই ক্ষমতায় আসে সেই দলের স্থানীয় রাজনৈতিক ক্ষমতাশীলদের ছত্র-ছায়ায় এই চাঁদাবাজি চলে আসছ।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম দৈনিক গণমুক্তিকে জানান যে,বিষয়টি তার জানা নেই।সঠিক তথ্য পেলে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।