নকলা হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন
- আপডেট সময় : ৪৭ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের নকলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিম্পা ওরফে শিল্পী (২৩) নামে গৃহবধূর লাশ রেখে পালিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে নকলা থানা পুলিশ খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লাশ থানায় নিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শেরপুর মর্গে পাঠিয়েছে।
গত রোববার ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ছনধরা ইউনিয়নের লাউয়াইর গ্রামের মফিজুলের স্ত্রী শিম্পাকে শ্বশুরবাড়িতে। ৩ বছর বয়সি মরিয়ম নামে এক কন্যা সন্তানের জননী শিম্পার বাবার বাড়ি একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী রামসোনা গ্রামে। তার পিতার নাম নায়েব আলী।
রবিবার (১০মে) সকাল ১১টার দিকে শিম্পার বড়ভাই ইউসুফ আলী ব্যবসায়িক কাজে লাউয়ারি গ্রামে যায়।সেখানে লোকমুখে জানতে পারে শিম্পাকে সকালে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করে চিকিৎসার জন্য নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছে। পরে শিম্পার মা মিনারা খাতুন, বড়বোন আকলিমাসহ পরিবারের লোকজন নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শিম্পাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ়েক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নাইমা ইসলাম পিংকি জানান শিম্পাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা করে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলে শিম্পার সাথে আসা লোকজন গোপনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ত্যাগ করে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শিম্পার লাশ থানায় এনে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলাসদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিম্পার সাথে আসা লোকজনকে সনাক্ত করতে স্বাস্থ্য কমপ়েক্সের সিসি টিভি থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্টে লাশের গলায়, ঠোঁটে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এব্যাপারে ফুলপুর থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।













