ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

গাজী রুবেল, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান
  • আপডেট সময় : ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নে মো. মাহফুজ (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, বন্ধুর স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের প্রস্তাবে বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
গত শনিবার দুপুরে কাজির চর গ্রামের নিজ বাড়ির রান্নাঘরের পেছনে একটি পেয়ারা গাছে বাঁধা অবস্থায় মাহফুজের লাশ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সে ঐ গ্রামের মো. ছায়েদল হকের ছেলে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, প্রবাসী সোহাগের স্ত্রী আছমা আক্তার পরকীয়া সম্পর্কে জড়াতে চাইতেন। এতে রাজি না হয়ে প্রতিবাদ করায় শুক্রবার রাতে আছমা, তার ভগ্নিপতি শাহীন ও ভাই সবুজ মিলে মাহফুজকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজায়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সুধারাম থানার ওসি মো. কামররুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা মনে হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নে মো. মাহফুজ (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, বন্ধুর স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের প্রস্তাবে বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
গত শনিবার দুপুরে কাজির চর গ্রামের নিজ বাড়ির রান্নাঘরের পেছনে একটি পেয়ারা গাছে বাঁধা অবস্থায় মাহফুজের লাশ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সে ঐ গ্রামের মো. ছায়েদল হকের ছেলে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, প্রবাসী সোহাগের স্ত্রী আছমা আক্তার পরকীয়া সম্পর্কে জড়াতে চাইতেন। এতে রাজি না হয়ে প্রতিবাদ করায় শুক্রবার রাতে আছমা, তার ভগ্নিপতি শাহীন ও ভাই সবুজ মিলে মাহফুজকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজায়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সুধারাম থানার ওসি মো. কামররুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা মনে হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।