ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ফুলপুরে নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭০৮ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহের ফুলপুরে নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নে মালিঝি নদীর তীরে দনারভিটা গ্রামে অবস্থিত। ১৯৮২ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রধান শিকসহ ৩ জন শিক রয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ৫টি গ্রামের শিশুদের শিা গ্রহণের একমাত্র ভরসা এ বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে পুরোপুরি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে নদীর ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে নদী ভাঙন বিদ্যালয় ভবন স্পর্শ করেছে। ভবনটি নদীতে ধসে পড়া শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। কিছুণ পর পর নদীর পাড় বিশাল আকারে পানিতে ভেঙে পড়ছে। তাই ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক-শিার্থীরা। তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, ইতঃপূর্বে এ বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ছিল। নদী ভাঙনের ফলে বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে ১০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে নদীর ভাঙন ক্রমাগত বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী হচ্ছে। তা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি রক্ষায় বা নদীর ভাঙনরোধে প্রশাসন বা কর্তৃপরে কোনো উদ্যোগ নেই। বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হলে এলাকার ৫ গ্রামের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে। সিংহেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম তালুকদার জানান, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ বিদ্যালয়টি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা উচিত।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ নেওয়াজ বেগমের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম সীমা জানান, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফুলপুরে নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় :

ময়মনসিংহের ফুলপুরে নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নে মালিঝি নদীর তীরে দনারভিটা গ্রামে অবস্থিত। ১৯৮২ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রধান শিকসহ ৩ জন শিক রয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ৫টি গ্রামের শিশুদের শিা গ্রহণের একমাত্র ভরসা এ বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে পুরোপুরি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে নদীর ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে নদী ভাঙন বিদ্যালয় ভবন স্পর্শ করেছে। ভবনটি নদীতে ধসে পড়া শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। কিছুণ পর পর নদীর পাড় বিশাল আকারে পানিতে ভেঙে পড়ছে। তাই ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক-শিার্থীরা। তালুকদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, ইতঃপূর্বে এ বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ছিল। নদী ভাঙনের ফলে বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে ১০৬ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে নদীর ভাঙন ক্রমাগত বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী হচ্ছে। তা সত্ত্বেও বিদ্যালয়টি রক্ষায় বা নদীর ভাঙনরোধে প্রশাসন বা কর্তৃপরে কোনো উদ্যোগ নেই। বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হলে এলাকার ৫ গ্রামের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে। সিংহেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম তালুকদার জানান, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ বিদ্যালয়টি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা উচিত।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ নেওয়াজ বেগমের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম সীমা জানান, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।