ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

বাসুদেব বিশ্বাস,বান্দরবান
  • আপডেট সময় : ৩৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিবৃষ্টিতে বান্দরবান জেলা সদর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
টানা বৃষ্টি ও অতিবর্ষণের ফলে জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর পানি উপচে অনেক স্থানে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।
অতিবৃষ্টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলা সদরের নদীতীরবর্তী ঘরবাড়িসহ আর্মিপাড়া, ইসলামপুর, শেরে বাংলা নগর ও আশপাশের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠছেন।
গত মঙ্গলবার(৭ জুলাই)রাত থেকে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাবার ও অন্যান্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টা বান্দরবানের সাংগু নদীর পানি ১৪.৮৮৯ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত বান্দরবানে ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত।
এদিকে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, বান্দরবানে দুর্যোগ মোকাবেলায় সাতটি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনও সচেষ্ট রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বান্দরবানে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আপডেট সময় :

 

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিবৃষ্টিতে বান্দরবান জেলা সদর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
টানা বৃষ্টি ও অতিবর্ষণের ফলে জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর পানি উপচে অনেক স্থানে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।
অতিবৃষ্টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবান জেলা সদরের নদীতীরবর্তী ঘরবাড়িসহ আর্মিপাড়া, ইসলামপুর, শেরে বাংলা নগর ও আশপাশের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠছেন।
গত মঙ্গলবার(৭ জুলাই)রাত থেকে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাবার ও অন্যান্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টা বান্দরবানের সাংগু নদীর পানি ১৪.৮৮৯ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত বান্দরবানে ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত।
এদিকে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, বান্দরবানে দুর্যোগ মোকাবেলায় সাতটি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনও সচেষ্ট রয়েছে।