মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ৫৯ বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রায় তিন যুগ পর সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক সাক্ষীকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট রফিক সরকার।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা।
মামলার বরাদ দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হাদীউজ্জামান শেখ হাদী বলেন, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডলের ছেলে হিমুর সঙ্গে পাশের কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন। এই মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডল তার ভাই ইমাম মণ্ডল এবং আমির হোসেন মণ্ডলের দুই ছেলে বাবু মণ্ডল ও হিমু মণ্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।
তিনি আরও বলেন, এই চারজন কারাভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লুকিয়ে রাখা (অপহৃত) আরমানকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০০৯ সালে গোপন সূত্রে জানতে পারেন আরমান পাবনা জেলার চাটমোহরে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসেছেন। পরে বিষয়টি পাবনা র্যাব অফিসে জানালে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরমানকে আটক করেন।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আরও জানান, মিথ্যা অপহরণ মামলা করায় কারাভোগকারী বাবু মণ্ডল বাদী হয়ে অপহরণ মামলার বাদী ও সাক্ষীসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। সেই মামলার বাদী ও ভিকটিম মারা যাওয়ায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় আজ মঙ্গলবার চার সাক্ষীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।














