সরকারি ত্রাণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জলঢাকায় ব্যাপক উন্নয়ন
- আপডেট সময় : ৯২ বার পড়া হয়েছে
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সরকারি ত্রাণ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তদারকি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিবিড় তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উন্নয়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ সময়ে জিআর (GR) কর্মসূচির চাল বিতরণ, টিআর (TR) কর্মসূচির অর্থ, কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), দুর্যোগ-পরবর্তী জরুরি সহায়তাসহ বিভিন্ন সরকারি ত্রাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি ও মনিটরিং করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে কমেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল, যোগাযোগ ও জনসেবার মানেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নাহিদুজ্জামান বলেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের আমানত। তাই প্রতিটি কর্মসূচি শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করাই আমাদের অঙ্গীকার। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে সরকারি ত্রাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে জলঢাকায় উন্নয়নের গতি আরও বেগবান হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও জেলা প্রশাসকের সার্বিক দিকনির্দেশনা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে সরকারি উন্নয়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম একই ধারাবাহিকতায় পরিচালিত হবে এবং জলঢাকার উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।
















