ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

স্কুলে বিষাক্ত গন্ধে ৬০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাবনা ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির কক্ষে একটি কেমিকেলের বোতল কে বা কারা রেখে যায়, সেটা জানা যায়নি ওই বোতলটি যেকোনো ভাবে ভেঙে যাওয়ায় প্রথমে ষষ্ঠ শ্রেণি ও পরে পুরো স্কুলে বিষাক্ত গন্ধে অক্সিজেনের সমস্যা সৃষ্টি হয়, এতে প্রায় ৬০ জন ছাত্রী অক্সিজেনের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অদ্ভুত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম অস্থিরতা বিরাজ করে। গতকাল বুধবার মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিষাক্ত কেমিকেলের গন্ধে ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদেরকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের অ্যাম্বুলেন্স সিএনজি ও অটোরিক্সা যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়, এরপর অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। খবর শুনে তাৎক্ষণিক ভাবে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া (পাবনা- ৪) আসনের সাংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছাত্রীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে ছুটে আসেন। মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসনা রাণী জানান, বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২ পর প্রথমে দুইজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, খবর শুনে আমি ক্লাসে ছুটে যাই ক্লাসে যাওয়ার পর দেখি আরো দুজন অসুস্থ হয়েছে। আমি স্থানীয় ডাক্তার, ফায়ার সার্ভিস এবং থানায় ফোন করি। এরপর ক্রমান্বয়ে স্কুলের ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, ফায়ার সার্ভিস এবং আমরা বিভিন্ন যানবাহনে করে ছাত্রীদের ঈশ্বরদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার ছাত্রীদের দেখে বলেন কয়েকজন অক্সিজেনের কারণে অসুস্থ হয়েছে। বাকিরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা টিএইচও (ভারপ্রাপ্ত) ডাক্তার কাবেরী শাহ বলেন, মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে একটি পোকা মারার বিষের বোতল পড়েছিল। সেখান থেকে বিষাক্ত গন্ধ বের হওয়ায় প্রথমে দুইজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরো কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দেখাদেখি ভয়ে আতঙ্কে ওই বিদ্যালয়ের ৫০- ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সকলকে স্লাইন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্কুলে বিষাক্ত গন্ধে ৬০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আপডেট সময় :

পাবনা ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির কক্ষে একটি কেমিকেলের বোতল কে বা কারা রেখে যায়, সেটা জানা যায়নি ওই বোতলটি যেকোনো ভাবে ভেঙে যাওয়ায় প্রথমে ষষ্ঠ শ্রেণি ও পরে পুরো স্কুলে বিষাক্ত গন্ধে অক্সিজেনের সমস্যা সৃষ্টি হয়, এতে প্রায় ৬০ জন ছাত্রী অক্সিজেনের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অদ্ভুত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম অস্থিরতা বিরাজ করে। গতকাল বুধবার মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিষাক্ত কেমিকেলের গন্ধে ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদেরকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের অ্যাম্বুলেন্স সিএনজি ও অটোরিক্সা যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়, এরপর অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। খবর শুনে তাৎক্ষণিক ভাবে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া (পাবনা- ৪) আসনের সাংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছাত্রীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে ছুটে আসেন। মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসনা রাণী জানান, বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২ পর প্রথমে দুইজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, খবর শুনে আমি ক্লাসে ছুটে যাই ক্লাসে যাওয়ার পর দেখি আরো দুজন অসুস্থ হয়েছে। আমি স্থানীয় ডাক্তার, ফায়ার সার্ভিস এবং থানায় ফোন করি। এরপর ক্রমান্বয়ে স্কুলের ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, ফায়ার সার্ভিস এবং আমরা বিভিন্ন যানবাহনে করে ছাত্রীদের ঈশ্বরদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার ছাত্রীদের দেখে বলেন কয়েকজন অক্সিজেনের কারণে অসুস্থ হয়েছে। বাকিরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা টিএইচও (ভারপ্রাপ্ত) ডাক্তার কাবেরী শাহ বলেন, মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে একটি পোকা মারার বিষের বোতল পড়েছিল। সেখান থেকে বিষাক্ত গন্ধ বের হওয়ায় প্রথমে দুইজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরো কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দেখাদেখি ভয়ে আতঙ্কে ওই বিদ্যালয়ের ৫০- ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সকলকে স্লাইন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।