ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জের নগর ডায়গনস্টিক সেন্টার

আল্ট্রাসনোগ্রামের ভুল রিপোর্টে নবজাতকের মৃত্যু

ছাবিনা দিলরুবা, মানিকগঞ্জ
  • আপডেট সময় : ৮৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে গর্ভবতী মায়ের আলট্রাসোনোগ্রামের ভুল রিপোর্টের কারনে শিশু বাচ্চার মৃত্যুর অভিযোগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায় ১২-১১-২০২৫ ৩ তারিখ বুধবার সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের শুসুন্ডা গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমানের স্ত্রী গর্ভবতী রুবাইয়া ইসলাম (৩৫),বাচ্চা ডেলিভারির আগ মুহূর্তে নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে,আলট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে গর্ভে থাকা বাচ্চার ওজন পৌনে তিন কেজি দেখানো হয়। যার ফলে গর্ভবতী মা ও শিশু সুস্থ থাকায় মেটারনিটি হাসপাতালের ডাক্তার এবং, সুরাইয়া বেগমের নরমাল ডেলিভারি করাতে গিয়ে গর্ভবতী মা ও শিশুকে মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলে দেন। বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ার পরেও অক্সিজেন না দিয়ে ২ ঘন্টা হাসপাতালের বেডে ফেলে রেখে উপাইন্তর না পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য রেফার করেন। গর্ভবতীর স্বামী এবং শিশু বাচ্চার বাবা মোঃ হাবিবুর রহমান মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট না পেয়ে, জয়রা রোডে অবস্থিত মানিকগঞ্জ শিশু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের পরামর্শে, পার ডে ৭ হাজার টাকা খরচের চুক্তিতে, শিশু হাসপাতালে সকাল ১১:৩০ টায় ভর্তি করেন।রাত সাড়ে এগারোটায় শিশু বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রামের ডাক্তার খাইরুল কবির বলেন, ১২ তারিখে আল্টা করা হয়েছে, ১৬ তারিখে নরমাল ডেলিভারির পূর্বে মাঝখানে তিন দিনে ২ কেজি ওজন বাড়তে পারে। নরমাল ডেলিভারির সাথে জড়িত ডাক্তার ও ভিজিটর সুরাইয়া বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করেননি। জয়রা রোডে অবস্থিত শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেন,আমাদের হাসপাতালে ও যদি শিশু বাচ্চা মারা যেত, তারপরও আমাদের কিছুই করতে পারবে না। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ কামাল হোসেন বলেন,ভোক্তা অধিকার আইনের ৫৩ ধারায় মামলা করে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভোক্তা অধিকার আইনের ৫৩ ধারায় বলা আছে, এই অপরাধের সাথে জড়িতদের তিন বছর কারাদণ্ড সাথে ২ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মানিকগঞ্জের নগর ডায়গনস্টিক সেন্টার

আল্ট্রাসনোগ্রামের ভুল রিপোর্টে নবজাতকের মৃত্যু

আপডেট সময় :

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে গর্ভবতী মায়ের আলট্রাসোনোগ্রামের ভুল রিপোর্টের কারনে শিশু বাচ্চার মৃত্যুর অভিযোগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায় ১২-১১-২০২৫ ৩ তারিখ বুধবার সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের শুসুন্ডা গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমানের স্ত্রী গর্ভবতী রুবাইয়া ইসলাম (৩৫),বাচ্চা ডেলিভারির আগ মুহূর্তে নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে,আলট্রাসনোগ্রামের রিপোর্টে গর্ভে থাকা বাচ্চার ওজন পৌনে তিন কেজি দেখানো হয়। যার ফলে গর্ভবতী মা ও শিশু সুস্থ থাকায় মেটারনিটি হাসপাতালের ডাক্তার এবং, সুরাইয়া বেগমের নরমাল ডেলিভারি করাতে গিয়ে গর্ভবতী মা ও শিশুকে মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলে দেন। বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ার পরেও অক্সিজেন না দিয়ে ২ ঘন্টা হাসপাতালের বেডে ফেলে রেখে উপাইন্তর না পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য রেফার করেন। গর্ভবতীর স্বামী এবং শিশু বাচ্চার বাবা মোঃ হাবিবুর রহমান মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট না পেয়ে, জয়রা রোডে অবস্থিত মানিকগঞ্জ শিশু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের পরামর্শে, পার ডে ৭ হাজার টাকা খরচের চুক্তিতে, শিশু হাসপাতালে সকাল ১১:৩০ টায় ভর্তি করেন।রাত সাড়ে এগারোটায় শিশু বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। নগর ডায়গনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রামের ডাক্তার খাইরুল কবির বলেন, ১২ তারিখে আল্টা করা হয়েছে, ১৬ তারিখে নরমাল ডেলিভারির পূর্বে মাঝখানে তিন দিনে ২ কেজি ওজন বাড়তে পারে। নরমাল ডেলিভারির সাথে জড়িত ডাক্তার ও ভিজিটর সুরাইয়া বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করেননি। জয়রা রোডে অবস্থিত শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেন,আমাদের হাসপাতালে ও যদি শিশু বাচ্চা মারা যেত, তারপরও আমাদের কিছুই করতে পারবে না। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ কামাল হোসেন বলেন,ভোক্তা অধিকার আইনের ৫৩ ধারায় মামলা করে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভোক্তা অধিকার আইনের ৫৩ ধারায় বলা আছে, এই অপরাধের সাথে জড়িতদের তিন বছর কারাদণ্ড সাথে ২ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান আছে।