শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে তিন ফসলি জমি নষ্ট করে মাছের ঘের তৈরি
- আপডেট সময় : ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে
অন্তত ১০০ কৃষকের ফসলি জমি নষ্ট করে মাছের ঘের করার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী একটি চক্র ইতিমধ্যে সেখানে খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে জমির মাটি কেটে বাঁধ দেওয়া শুরু করেছে। জমি দখলে বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে চক্রটি। ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় ঘের বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষিজমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে এই অঞ্চলের কৃষকরা। তাদের প্রধান ফসল ধান ও মরিচ। কয়েকশ একর জমিতে অন্তত ২০০ কৃষক পরিবার মরিচ ও আউশ ধান চাষ করেন। প্রতিবছর ওই জমিতে ১০ হাজার মণ মরিচ ও পাঁচ হাজার মণ আউশ ধান উৎপাদন হয়। সম্প্রতি সেই জমিতে মাছের ঘের করার উদ্যোগ নেয় প্রভাবশালী কিছু লোক। ইতিমধ্যে তারা মাছের ঘেরের জন্য কৃষকদের ফসলি জমি দখল করে রাতের আঁধারে মাটি কাটা শুরু করেছেন। জমির মাঝখানে মাটি কেটে তৈরি করা হয়েছে বিশাল বাঁধ। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ কৃষকরা বাধা দিতে গেলে প্রতিনিয়ত মারধরের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তারা।
আজ ০১ জানুয়ারি ২০২৫। ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএমখালী ইউনিয়নের চরহোগলা গ্রামে ইউএনওর নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওসি সখিপুর, ফায়ার সার্ভিসের সমন্বয়ে রাত ১০:৩০ ঘটিকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় এক্সক্যাভেটর দিয়ে কৃষি জমি কর্তন করায় দুটি মামলায় দুজনকে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ ২ লক্ষ টাকা জরিমানা (প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা) ও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। এসময় এক্সক্যাভেটর ও এতে ব্যবহৃত দুটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করা না গেলে ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। বন্ধ হয়ে যাবে সবরকম কৃষিকাজ।














