ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

কলাপাড়ায় যুবদল অফিসে নির্যাতন, যুবকের মৃত্যু

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৫৮ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবদলের অফিসে এক যুবককে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মো. ইদ্রিস (৪৫) নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় মৃতের মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পাখিমারা বাজারে যুবদলের অফিসে তাকে নির্যাতন করা হয়। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সম্পাদক ও ইউপি পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম তার সহযোগীদের নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের।
পারিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় বসবাসের পাশাপাশি সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ নানা অপকর্মের তথ্য দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করেন তিনি। এতে তার ওপর জহির ক্ষিপ্ত হন। কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসেন।
নিহতের পারিবারের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইদ্রিস পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগিরা ডেকে নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট ফুলা জখম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সোমবার (০২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে বাজে পোস্ট করেছেন। পরে নিজেই এক ইউপি সদস্য ও তার আত্মীয়দের নিয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিল। ইদ্রিস আগে থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত জেনে আমি তার সঙ্গে কোনো রাগ-অভিমানও করিনি। তবে আমার সামনে মুরুব্বিরা তাকে কয়েকটা চর থাপ্পড় দিয়েছে। কিন্তু তাও আমি প্রতিবাদ করেছি৷ আমি তাকে কোনো মারধর করিনি। একটা মহল আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যাচার করছে। কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম কলাবেলাকে বলেন, মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কলাপাড়ায় যুবদল অফিসে নির্যাতন, যুবকের মৃত্যু

আপডেট সময় :

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যুবদলের অফিসে এক যুবককে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মো. ইদ্রিস (৪৫) নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় মৃতের মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পাখিমারা বাজারে যুবদলের অফিসে তাকে নির্যাতন করা হয়। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সম্পাদক ও ইউপি পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম তার সহযোগীদের নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের।
পারিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় বসবাসের পাশাপাশি সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ নানা অপকর্মের তথ্য দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করেন তিনি। এতে তার ওপর জহির ক্ষিপ্ত হন। কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসেন।
নিহতের পারিবারের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইদ্রিস পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগিরা ডেকে নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট ফুলা জখম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সোমবার (০২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে বাজে পোস্ট করেছেন। পরে নিজেই এক ইউপি সদস্য ও তার আত্মীয়দের নিয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিল। ইদ্রিস আগে থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত জেনে আমি তার সঙ্গে কোনো রাগ-অভিমানও করিনি। তবে আমার সামনে মুরুব্বিরা তাকে কয়েকটা চর থাপ্পড় দিয়েছে। কিন্তু তাও আমি প্রতিবাদ করেছি৷ আমি তাকে কোনো মারধর করিনি। একটা মহল আমাকে ফাঁসাতে মিথ্যাচার করছে। কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম কলাবেলাকে বলেন, মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।