দাগনভূঞায় উদ্বােধনের আগেই ধ্বসের উপক্রম প্রায় ৩ কোটি টাকার রাস্তা ও ব্রীজ
- আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
ফেনী দাগনভূঞা উপজেলা ৩ নং পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়ন, ৫ নং ওয়ার্ড আমুভুঞার হাট ভায়া বৈরাগীর হাট সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হওয়ার আগেই সামান্য বৃষ্টিতেই ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ ছাড়া আমুভঞার হাট ভায়া বৈরাগীর হাট সড়ক সংযোগে নির্মিত প্রায় ২০ মিটার আর সি সি গ্রার্ডার ব্রীজের ২ পাশের ইট ও গার্ড ওয়ালের মাটি সরে কার্পেটিং ধ্বসে পড়াতে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে ব্রীজটি।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রোগাম ফর সাপোর্টিং রুরল ব্রীজেস প্রকল্পের আওতায় কাজটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এলজিইডি কাজটি দেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কালাম এন্টারপ্রাইজকে।
সম্প্রতি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর উদ্ভোদনের আগেই কয়েকদিন যেতে না যেতেই ব্রিজটির দুই পাশের ইট খুলে পড়তে শুরু করেছে। ব্রিজের মাঝখানে তৈরি হয়েছে গর্তের, রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত মাটি ও মজবুত গার্ড ওয়াল না থাকায় ইট ও কার্পেটিং সরে যাচ্ছে। এ ছাড়া নিম্ন মানের ভিটুমিন ও ইট, পাথর ব্যাবহার করায় রাস্তা ডেবে গিয়ে মাঝখানে তৈরি হয়েছে গর্তের। এক কথায় পরিকল্পনার অভাব, সীমাহীন দূর্নীতির কারনে মাত্র ৮- ১০ দিনেই সামান্য বৃষ্টিতে ফুটে উঠেছে অনিয়মের চিত্র।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার এবং তদারকির অভাবে সামান্য বৃষ্টিতে ব্রিজ ও রাস্তার এই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পুরো বর্ষা শুরু হলে এই রাস্তা ১০ দিনেই বিলীন হয়ে যাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বিএনপি নেতা দাবি করেন, বিএনপি সরকারের নাম খারাপ করতেই ইচ্ছাকৃত ভাবে দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ঠিকাদার কালাম কন্ডাক্টর দূর্নীতি করে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহার করে কাজটি সম্পূর্ণ করেন। এই কালাম কন্টাক্টর বিগত সময় ঠিকাদারী করে দূর্নীতি ও অপকর্ম করে কোটি কোটি টাকা কামিয়ে সেগুলো বিএনপিকে ধ্বংস করার কাজে ব্যায় করেছে।
তারা এখনো ষড়যন্ত্র করে বিভিন্ন উপায়ে আমাদের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বিএনপি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এ ধরনের দূর্নীতি করে নিম্ন মানের রাস্তা ঘাট তৈরি করছে। যা জনগণের অর্থ নষ্ট ছাড়া কার্যত কিছুই না।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কালাম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী, আবুল কালাম প্রকাশ কালাম কন্ডাক্টরের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ভারী বৃষ্টির কারনে এই সমস্যা হতে পারে। কোথায় কোথায় সমস্যা হয়েছে আমরা গিয়ে দেখব, এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবো। বৃষ্টি হলে রাস্তা কতটা টিকবে বা টিকবে না এই ব্যাপার গুলো আপনারা বিবেচনায় নিয়ে কাজ করেন নি প্রশ্ন শুনেই তিনি মোবাইল কেটে দেন।
দাগনভূঞা উপজেলা প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি বলেন প্রকল্প পরিদর্শন করে আমি বিস্তারিত বলতে পারবো কেন এই অবস্থা হল?




















