ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দিনাজপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি Logo ঝিনাইদহে প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ Logo মির্জা ফয়সল আমীনকে ঠাকুরগাঁও বিএনপি অভিনন্দন Logo তথ্য অধিকার ব্যবহারে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান Logo মির্জা ফয়সল আমীনকে ঠাকুরগাঁও বিএনপি অভিনন্দন Logo পরিচ্ছন্ন ইসলামপুর গড়তে ইউএনওর মতবিনিময় সভা Logo শেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু Logo দেওয়ানগঞ্জে নিখোঁজ নারীকে আখাউড়া থেকে উদ্ধার Logo দেওয়ানগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড Logo পার্বতীপুরে যুবদলের উদ্যোগে ঈদ পুনমিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের কক্সবাজার পরিদর্শন

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারে মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া। গতকাল শনিবার (১৬ মে) তিনি গোলদিঘিরপাড়ে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ‘মুক্তি ভবন’ পরিদর্শন করেন।
এ সময় মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার, উপ-প্রধান নির্বাহীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে সংস্থার সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুক্তি কক্সবাজারের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, চলমান প্রকল্পসমূহ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে সংস্থাটির স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণমূলক ভূমিকা তুলে ধরে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়।
সভায় প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার জানান, বর্তমানে মুক্তি কক্সবাজার শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবিকা, জেন্ডার ও সুরক্ষা, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসসহ বিভিন্ন খাতে ২৪টি মানবিক ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও জানান, সংস্থাটির মোট বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেকের বেশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় করা হচ্ছে এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের ৭০ শতাংশেরও বেশি নারী। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও নোয়াখালীসহ চারটি জেলায় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৪ হাজার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ নারী এবং ১ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন।
এ সময় ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া মুক্তি কক্সবাজারের চলমান মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও ধারাবাহিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।
সফর শেষে তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষ হিসেবে মুক্তি কক্সবাজার সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলাম। তবে আজকের উপস্থাপনার মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্পর্কে আরও সুস্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। আমি আশা করি মুক্তি তার প্রতিশ্রুতি অটুট রেখে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের কক্সবাজার পরিদর্শন

আপডেট সময় :

কক্সবাজারে মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া। গতকাল শনিবার (১৬ মে) তিনি গোলদিঘিরপাড়ে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ‘মুক্তি ভবন’ পরিদর্শন করেন।
এ সময় মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার, উপ-প্রধান নির্বাহীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে সংস্থার সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সঙ্গে এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুক্তি কক্সবাজারের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, চলমান প্রকল্পসমূহ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে সংস্থাটির স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণমূলক ভূমিকা তুলে ধরে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়।
সভায় প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার জানান, বর্তমানে মুক্তি কক্সবাজার শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবিকা, জেন্ডার ও সুরক্ষা, পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসসহ বিভিন্ন খাতে ২৪টি মানবিক ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও জানান, সংস্থাটির মোট বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেকের বেশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় করা হচ্ছে এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের ৭০ শতাংশেরও বেশি নারী। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও নোয়াখালীসহ চারটি জেলায় সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৪ হাজার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ নারী এবং ১ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন।
এ সময় ডক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া মুক্তি কক্সবাজারের চলমান মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও ধারাবাহিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।
সফর শেষে তিনি বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষ হিসেবে মুক্তি কক্সবাজার সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলাম। তবে আজকের উপস্থাপনার মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রম সম্পর্কে আরও সুস্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। আমি আশা করি মুক্তি তার প্রতিশ্রুতি অটুট রেখে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”