মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের বানিয়ারচরে প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সামাজিক ও মানবিক সংগঠন সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ড (সিজেআরএফ)-এর সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জের সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সভারঞ্জন শিকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন লুইস রানা গাইন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জলিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভা মণ্ডল, বানিয়ারচর ক্যাথলিক চার্জের ফাদার রেভারেন্ড ডেভিড ঘরামী, বঙ্গরত্ন কলেজের অধ্যক্ষ সমীর কান্তি শাঁখারী, সাবেক চেয়ারম্যান দীপক বাড়ৈ, জলিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজগর মিয়া, সূর্যকান্ত জানকী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জন চন্দ্র বালা, বানিয়ারচর কারিতাস টেকনিক্যাল স্কুলের অধ্যক্ষ তুহিন কীর্তনীয়া, বাতিঘর পরিচর্যার পরিচালক আনন্দ কীর্তনীয়া এবং সিসিডিবির প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আব্দুল বারী।
সভাপতির বক্তব্যে সভারঞ্জন শিকদার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সবচেয়ে বেশি ভোগ করেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু, প্রবীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। তাই পরিবেশ সংরক্ষণকে মানবিক উন্নয়নের সঙ্গে সমন্বয় করে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংরক্ষণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথি মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তিনি সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।
কর্মসূচির শেষে অতিথি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরে হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে নাস্তা এবং উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের অন্যান্য এলাকাতেও অনুসরণযোগ্য হতে পারে।
















