ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনী Logo সিরাজদিখানে গাঁজাগাছসহ আটক, পুলিশের হাতে মাদক ব্যবসায়ী Logo লাখাইয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo প্রতিটি ক্লাসে পাঁচ মিনিট নৈতিক শিক্ষা দিন: আমিনুল হক Logo গণভোট থেকে সরকার সরে যাওয়ায় জনগণ আহত হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo ভাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় ৫ নিহত, বিক্ষোভে ৪ বাস ও পিকআপে আগুন Logo খাল পুনঃখনন শেষে অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দিল সালথা প্রশাসন Logo কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামীর সামনে প্রাণ গেল স্ত্রীর Logo বসতভিটা থেকে উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন Logo টানা বর্ষণে কেশবপুরে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

টানা বর্ষণে কেশবপুরে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা কয়েক দিনের বর্ষণে যশোরের কেশবপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও নিচু জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

শুক্রবার সরেজমিনে কেশবপুর পৌরসভা, পাঁজিয়া, সুফলাকাটি ও গৌরীঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনা, কাঁচা রাস্তা, বাগান, পুকুরপাড় ও নিচু জমিতে পানি জমে রয়েছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে যেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পৌরসভার ১ নম্বর ভবানীপুর, ৪ নম্বর, ৫ নম্বর আলতাপোল ও ৭ নম্বর মধ্যকুল ওয়ার্ড। এসব এলাকায় ড্রেন উপচে বর্জ্যযুক্ত পানি বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে। শত শত বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ড্রেনে ফেলায় অধিকাংশ ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পলি জমে পানিপ্রবাহও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

জলাবদ্ধতায় অনেক পরিবারের রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রান্না-বান্না ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও দিনমজুরেরা। কাঁচা সড়ক কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় যান চলাচলেও ঝুঁকি বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ির আঙিনা ও সড়কে পানি জমে যায়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে নিচু এলাকার মাছের ঘের, কৃষিজমি ও আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়রা দ্রুত খাল-নালা খনন, ড্রেন পরিষ্কার এবং পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টানা বর্ষণে কেশবপুরে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় :

টানা কয়েক দিনের বর্ষণে যশোরের কেশবপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও নিচু জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

শুক্রবার সরেজমিনে কেশবপুর পৌরসভা, পাঁজিয়া, সুফলাকাটি ও গৌরীঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনা, কাঁচা রাস্তা, বাগান, পুকুরপাড় ও নিচু জমিতে পানি জমে রয়েছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে যেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পৌরসভার ১ নম্বর ভবানীপুর, ৪ নম্বর, ৫ নম্বর আলতাপোল ও ৭ নম্বর মধ্যকুল ওয়ার্ড। এসব এলাকায় ড্রেন উপচে বর্জ্যযুক্ত পানি বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে। শত শত বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ড্রেনে ফেলায় অধিকাংশ ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পলি জমে পানিপ্রবাহও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

জলাবদ্ধতায় অনেক পরিবারের রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রান্না-বান্না ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও দিনমজুরেরা। কাঁচা সড়ক কাদায় পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় যান চলাচলেও ঝুঁকি বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ির আঙিনা ও সড়কে পানি জমে যায়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে নিচু এলাকার মাছের ঘের, কৃষিজমি ও আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়রা দ্রুত খাল-নালা খনন, ড্রেন পরিষ্কার এবং পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।