গাজী কালুর দরগাহসংলগ্ন খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ৪৪ বার পড়া হয়েছে
বাগেরহাট শহরের ঐতিহাসিক গাজী কালুর দরগাহসংলগ্ন প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জমিটি পুনরায় সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, শহরের কাপড়পট্টি এলাকার সরুই মৌজার এসএ ৭০১ নম্বর খতিয়ানের সাড়ে ১৭ শতাংশ সরকারি খাস জমির ওপর গাজী কালুর দরগাহ, মসজিদ, খানকা, খাদেমের বসতঘর ও দর্শনার্থীদের বিশ্রামস্থল রয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহলের সহযোগিতায় সেটেলমেন্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তারা সরকারের নামে থাকা রেকর্ড পরিবর্তন করে জমিটি ব্যক্তি মালিকানায় নথিভুক্ত করেছেন।
দরগার প্রধান খাদেম জামাল হাওলাদার বলেন, সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, জমি সরকারি খতিয়ানে ফিরিয়ে আনা এবং দরগার ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে দুদক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ডা. সিরাজুল হক, শ্যামল কুমার নাগ, বিজয় কৃষ্ণ হালদার, শেখ আছাদুল ইসলাম ও শেখ হাসানুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. সিরাজুল হক বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে বৈধ দলিলের মাধ্যমে জমিটি কেনা হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। অপর অভিযুক্ত শেখ শামসুল উদ্দিনও দাবি করেন, এটি ব্রিটিশ আমলের সম্পত্তি এবং তারা বৈধভাবেই জমি ভোগদখল করছেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সরকারি খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে জমিটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে প্রমাণিত হলে তা পুনরায় সরকারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে সরকারের দখলে ফিরিয়ে আনা হবে।
















