ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট Logo ডামুড্যায় ২ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে মাছ ধরা উৎসব পালিত

ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী পদ্ধতি বাদ দেয়ার সুপারিশ শিক্ষক নেটওয়ার্কের

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় বহু-নির্বাচনীনির্ভর পদ্ধতি বাদ দিয়ে বুদ্ধিমত্তা-দক্ষতাভিত্তিক (অ্যাপ্টিচ্যুড টেস্ট) ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সাথে প্রথম বর্ষ থেকে সিট বরাদ্দ, পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু এবং শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ থেকে সরে আসাসহ একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে শিক্ষক নেটওয়ার্ক আয়োজিত কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে এসব সুপারিশ করা হয়েছে।

দীর্ঘ সুপারিশপত্রে পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, প্রশাসন, সিলেবাস, গবেষণা, নীতিমালাসহ নানা বিষয়ে সুপারিশ উল্লেখ করা হয়।

সুপারিশের মধ্যে রয়েছে: বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরে আধিপত্যশীল রাজনীতি বন্ধ করা। প্রথম বর্ষে সবাইকে হলে সিট দেওয়া এবং তারপর ধীরে ধীরে উপরের দিকে মেধা ও চাহিদার ভিত্তিতে সিট বণ্টন হতে পারে।

স্নাতকের সব ক্লাস ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সীমিত রাখা। যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ার আগ্রহ কম এমন বিভাগগুলোতে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ভর্তি না করিয়ে কেবল স্নাতকোত্তর পর্যায়ের স্ট্রিম হিসাবে চালু রাখা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্বিভাষিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। শিক্ষার্থীদের কুশলী করে গড়ে তোলার জন্য অন্তত তিনটি ভাষা শেখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা এবং তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতার জন্য আলাদা ইনস্টিটিউট খোলা এবং সব বিভাগের আবশ্যিক ও আধা-আবশ্যিক কোর্স হিসাবে এতে অন্তর্ভুক্ত করা।

ঢালাওভাবে স্নাতকোত্তরের সুযোগ না রেখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদেরই সুযোগ দেওয়া; এতে গবেষণানির্ভর করে বিশ্বের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ঢেলে সাজাতে হবে; একাধিক মাস্টার্স করার সুযোগ চাহিদা সাপেক্ষে তৈরি করা।

কেবল মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ থেকে সরে এসে নিয়োগসংক্রান্ত পরীক্ষামূলক ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি ঠিক করতে হবে এবং বাইরের দেশ থেকে ভিজিটিং প্রফেসর নিয়োগ করার দিকে যেতে হবে।

বিভাগকেন্দ্রিক শিক্ষক-সিন্ডিকেটের অবসান ঘটানো; যা শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ভূমিকা রাখে।

উচ্চতর গবেষণায় একটা সম্পূর্ণ পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী পদ্ধতি বাদ দেয়ার সুপারিশ শিক্ষক নেটওয়ার্কের

আপডেট সময় :

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় বহু-নির্বাচনীনির্ভর পদ্ধতি বাদ দিয়ে বুদ্ধিমত্তা-দক্ষতাভিত্তিক (অ্যাপ্টিচ্যুড টেস্ট) ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সাথে প্রথম বর্ষ থেকে সিট বরাদ্দ, পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু এবং শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ থেকে সরে আসাসহ একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে শিক্ষক নেটওয়ার্ক আয়োজিত কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে এসব সুপারিশ করা হয়েছে।

দীর্ঘ সুপারিশপত্রে পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, প্রশাসন, সিলেবাস, গবেষণা, নীতিমালাসহ নানা বিষয়ে সুপারিশ উল্লেখ করা হয়।

সুপারিশের মধ্যে রয়েছে: বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরে আধিপত্যশীল রাজনীতি বন্ধ করা। প্রথম বর্ষে সবাইকে হলে সিট দেওয়া এবং তারপর ধীরে ধীরে উপরের দিকে মেধা ও চাহিদার ভিত্তিতে সিট বণ্টন হতে পারে।

স্নাতকের সব ক্লাস ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সীমিত রাখা। যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ার আগ্রহ কম এমন বিভাগগুলোতে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ভর্তি না করিয়ে কেবল স্নাতকোত্তর পর্যায়ের স্ট্রিম হিসাবে চালু রাখা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্বিভাষিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। শিক্ষার্থীদের কুশলী করে গড়ে তোলার জন্য অন্তত তিনটি ভাষা শেখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা এবং তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতার জন্য আলাদা ইনস্টিটিউট খোলা এবং সব বিভাগের আবশ্যিক ও আধা-আবশ্যিক কোর্স হিসাবে এতে অন্তর্ভুক্ত করা।

ঢালাওভাবে স্নাতকোত্তরের সুযোগ না রেখে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদেরই সুযোগ দেওয়া; এতে গবেষণানির্ভর করে বিশ্বের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ঢেলে সাজাতে হবে; একাধিক মাস্টার্স করার সুযোগ চাহিদা সাপেক্ষে তৈরি করা।

কেবল মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ থেকে সরে এসে নিয়োগসংক্রান্ত পরীক্ষামূলক ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করে শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি ঠিক করতে হবে এবং বাইরের দেশ থেকে ভিজিটিং প্রফেসর নিয়োগ করার দিকে যেতে হবে।

বিভাগকেন্দ্রিক শিক্ষক-সিন্ডিকেটের অবসান ঘটানো; যা শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ভূমিকা রাখে।

উচ্চতর গবেষণায় একটা সম্পূর্ণ পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করা।