ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

কৃষিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন জলঢাকার খাদিজা

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরাঞ্চলে উচ্চমূল্যের বিদেশি ফলচাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে এবার জেলা প্রশাসনের স্বীকৃতি পেলেন নীলফামারীর জলঢাকার সফল কৃষি উদ্যোক্তা খাদিজা আক্তার(৪৫)। উদ্ভাবনী কৃষি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষিতে বহুমুখীকরণে বিশেষ অবদানের জন্য নীলফামারী জেলার তিনজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
সম্মাননা পাওয়া অপর দুই উদ্যোক্তা হলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের বালাপাড়ার রুমা রায় এবং ডিমলা উপজেলার কুটিপাড়ার সোহেল রানা।
জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের সুনগর গ্রামের বাসিন্দা খাদিজা আক্তারের কৃষিযাত্রা শুরু হয়েছিল নিছক শখ থেকে। বাড়ির আঙিনায় গড়ে তোলা ছোট্ট একটি ফলের বাগান আজ পরিণত হয়েছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী কৃষি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানে।
তাঁর বাগানে বর্তমানে কফি, রাম্বুটান, অ্যাভোকাডোসহ প্রায় ২৪ প্রজাতির বিদেশি ও উচ্চমূল্যের ফলের চাষ হচ্ছে। আধুনিক পরিচর্যা, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরীক্ষামূলক ফলচাষের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছেও অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, খাদিজা আক্তারের এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়এটি উত্তরাঞ্চলে উচ্চমূল্যের ফলচাষ সম্প্রসারণের একটি কার্যকর মডেল। তাঁর সফলতা দেখে অনেক তরুণ ও কৃষক বিদেশি ফলচাষে আগ্রহী হচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কৃষিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন জলঢাকার খাদিজা

আপডেট সময় :

উত্তরাঞ্চলে উচ্চমূল্যের বিদেশি ফলচাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে এবার জেলা প্রশাসনের স্বীকৃতি পেলেন নীলফামারীর জলঢাকার সফল কৃষি উদ্যোক্তা খাদিজা আক্তার(৪৫)। উদ্ভাবনী কৃষি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষিতে বহুমুখীকরণে বিশেষ অবদানের জন্য নীলফামারী জেলার তিনজন সফল কৃষি উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
সম্মাননা পাওয়া অপর দুই উদ্যোক্তা হলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের বালাপাড়ার রুমা রায় এবং ডিমলা উপজেলার কুটিপাড়ার সোহেল রানা।
জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের সুনগর গ্রামের বাসিন্দা খাদিজা আক্তারের কৃষিযাত্রা শুরু হয়েছিল নিছক শখ থেকে। বাড়ির আঙিনায় গড়ে তোলা ছোট্ট একটি ফলের বাগান আজ পরিণত হয়েছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী কৃষি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানে।
তাঁর বাগানে বর্তমানে কফি, রাম্বুটান, অ্যাভোকাডোসহ প্রায় ২৪ প্রজাতির বিদেশি ও উচ্চমূল্যের ফলের চাষ হচ্ছে। আধুনিক পরিচর্যা, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরীক্ষামূলক ফলচাষের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছেও অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, খাদিজা আক্তারের এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়এটি উত্তরাঞ্চলে উচ্চমূল্যের ফলচাষ সম্প্রসারণের একটি কার্যকর মডেল। তাঁর সফলতা দেখে অনেক তরুণ ও কৃষক বিদেশি ফলচাষে আগ্রহী হচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।