দাগনভূঞা রামনগর ইউনিয়নে গ্রামিন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে বৈষম্যের অভিযোগ স্থানীয়দের।
- আপডেট সময় : ১৮ বার পড়া হয়েছে
#২ নং ওয়ার্ডে ১৪ প্রকল্প
# একই ওয়ার্ডের ৩ বাড়িতে ১০ প্রকল্প
#স্থানীয়দের অভিযোগ পিআইও অফিস ও ইউনিয়ন সচিবের বিরুদ্ধে
# বেশিরভাগ প্রকল্পের অর্থ হয়েছে হরিটুল
দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প ও সরকারি বরাদ্দের সুবিধা বণ্টনে স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, বিগত অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে দলীয় পরিচয় ও ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে টিআর, টাবিখা, এডিবি, ১%, জেলা পরিষদের বরাদ্দ এবং সামাজিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
ইউনিয়ন বাসীর অভিযোগ করেন ইউনিয়ন ৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে ২ নং ওয়ার্ডে ভূঞা বাড়ি এবং বাকু মিয়া, আইনুদ্দিন ভূঞা বাড়িতে । ১৮ টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে এ তিন বাড়িতে। সব মিলিয়ে ২ নং ওয়ার্ডে দেওয়া হয়েছে ১৪ টি প্রকল্প। এই তিন বাড়িতে যে প্রকল্পগুলো দেওয়া হয়েছে সে গুলো জনগুরুত্বপূর্ণ নয় বলে দাবি করেন স্থানীয় জনগন। বাকি প্রকল্পগুলোও প্রশাসকের মিজস্ব আত্মীয় পরিচয় দানকারী বিএনপির এক সাবেক নেতার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা রামনগর ইউনিয়ন প্রশাসক ছিলেন দাগনভূঞা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সোরাইভ আল হোসাইন। তিনি স্থানীয় এক সাবেক বিএনপি নেতার মাধ্যমে প্রকল্পগুলো বিতরন করেছেন বলে জানা যায়। স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা নাম না বলার শর্তে বলেন, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে এই প্রকল্প গুলো দেওয়া হয়েছে। ২ নং ওয়ার্ডে যে প্রকল্প গুলো দেওয়া হয়েছে তা সাধারণ জনগনের কোন কাজেই আসেনি। এই ওয়ার্ডে যে দুই বাড়ির নামে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে তা বেশির ভাগ কাজ না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। তারা আরও বলেন, প্রকৃত দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিরা ভাতা বা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এর বদলে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজন ও অনুসারীরা এসব সুবিধা পেয়েছেন ।
ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বা গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর, কাবিখা) প্রকল্পের আওতাধীন সহায়তাগুলো নির্দিষ্ট কয়েকটি ওয়ার্ড বা সমর্থকদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। [1]
উন্নয়ন কার্যক্রমে ভারসাম্যহীনতা: ইউনিয়নের সব গ্রামে সমানভাবে উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হয় না। প্রভাবশালীদের এলাকায় বেশি বরাদ্দ ও প্রকল্প দেওয়া হলেও অন্যান্য এলাকা অবহেলিত থেকে যায়। স্থানীয়রা দাবি করেন একটি ওয়ার্ডের দুইটি বাড়িকে যে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে তা অন্যন্য ওয়ার্ডের সাথে বৈষম্য করা হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মনোয়ারুল আজিম বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় কোন চেয়ারম্যান, মেম্বার না থাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যে ভাবে তালিকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসকের তালিকা অনুযায়ী দাগনভূঞা পিআইও অফিস থেকে প্রকল্প পাশ হয়েছে এবং কাজের তদারকিও তারা করেছে।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীদুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পিআইও অফিস থেকে যে ভাবে তালিকা দেওয়া হয়েছে সে ভাবে প্রকল্প গুলো পাশ হয়েছে।

















