ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

মাদ্রাসায় ব্ন্ধ করে শিক্ষার্থীদের জামায়াতের সমাবেশে নিলেন শিক্ষক

নীলফামারী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৯১ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার উত্তর দেশীবাই ফয়জুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশে নিয়ে গেলেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরকম দৃশ্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এখবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী সরেজমিনে ওই প্রতিষ্ঠানে গেলে ক্লাস কক্ষ এবং শিক্ষকদের কক্ষে তালা ঝোলানো দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানা যায়, মাদ্রাসা খোলার যথাসময়ের আগে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা মাদ্রাসায় আসে। স্থানীয়দের অত্র মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদের মোয়াজ্জিন আব্দুল কাদের বলেন, সকাল ৮টায় সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এসেছিল মাদ্রাসায় কিন্তু কোথায় গেছে জানিনা। স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে নাম না বলা শর্তে অনেকে জানান, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা চলছে, শুনেছি মাদ্রাসার শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জামাতের সমাবেশে নিয়ে গেছেন । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কোন রাজনৈতিক দলের সমাবেশে যাওয়ার বিষয়টি উপজেলার বেশ কয়েকটি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার প্রধানদের মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায়, এটা নিয়ম বহির্ভূত, তাঁরা জানান এসৃয়টা বাচ্চাদের এ্যাকজাম চলছে, বন্ধ রাখার কোন নিয়ম নেই। মাদ্রাসায় সাংবাদিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুপুরে চলে আসেন সহকারী শিক্ষক (গনিত শিক্ষক)
আবু তালেব, মাদ্রাসা বন্ধের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না এবং বলতেও পারবেন না বলে জানান। মাদ্রাসা থেকে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইফুল ইসলামকে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মাদ্রাসার সভাপতি মাওলানা রাশেদুজ্জামান রাশেদকে মুঠোফোনে অবগত করলে তিনি মাদ্রাসা বন্ধের ব্যাপারে কিছুই জানেন না, সুপার জানায়নি। তবে সুপারের সাথে কথা বলে জানাতে চেয়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি।
এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফ উজ্জামান সরকার মুঠোফোনে বলেন, রাজনৈতিক দল তো দূরের কথা, প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কেউ সরকারি অনুষ্ঠানেও যেতে পারবেনা অনুমতি ছাড়া। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করবেন বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাদ্রাসায় ব্ন্ধ করে শিক্ষার্থীদের জামায়াতের সমাবেশে নিলেন শিক্ষক

আপডেট সময় :

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার উত্তর দেশীবাই ফয়জুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশে নিয়ে গেলেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরকম দৃশ্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এখবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী সরেজমিনে ওই প্রতিষ্ঠানে গেলে ক্লাস কক্ষ এবং শিক্ষকদের কক্ষে তালা ঝোলানো দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানা যায়, মাদ্রাসা খোলার যথাসময়ের আগে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা মাদ্রাসায় আসে। স্থানীয়দের অত্র মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদের মোয়াজ্জিন আব্দুল কাদের বলেন, সকাল ৮টায় সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এসেছিল মাদ্রাসায় কিন্তু কোথায় গেছে জানিনা। স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে নাম না বলা শর্তে অনেকে জানান, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা চলছে, শুনেছি মাদ্রাসার শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জামাতের সমাবেশে নিয়ে গেছেন । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কোন রাজনৈতিক দলের সমাবেশে যাওয়ার বিষয়টি উপজেলার বেশ কয়েকটি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার প্রধানদের মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায়, এটা নিয়ম বহির্ভূত, তাঁরা জানান এসৃয়টা বাচ্চাদের এ্যাকজাম চলছে, বন্ধ রাখার কোন নিয়ম নেই। মাদ্রাসায় সাংবাদিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুপুরে চলে আসেন সহকারী শিক্ষক (গনিত শিক্ষক)
আবু তালেব, মাদ্রাসা বন্ধের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না এবং বলতেও পারবেন না বলে জানান। মাদ্রাসা থেকে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাইফুল ইসলামকে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মাদ্রাসার সভাপতি মাওলানা রাশেদুজ্জামান রাশেদকে মুঠোফোনে অবগত করলে তিনি মাদ্রাসা বন্ধের ব্যাপারে কিছুই জানেন না, সুপার জানায়নি। তবে সুপারের সাথে কথা বলে জানাতে চেয়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি।
এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফ উজ্জামান সরকার মুঠোফোনে বলেন, রাজনৈতিক দল তো দূরের কথা, প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কেউ সরকারি অনুষ্ঠানেও যেতে পারবেনা অনুমতি ছাড়া। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করবেন বলে জানান।