ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

‎শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়সহ নবীনগরের পাঁচ শহীদের সমাধিতে জেলা প্রশাসনের গভীর শ্রদ্ধা

‎‎আবদুল হাদী, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
  • আপডেট সময় : ২০০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের বীর শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়সহ উপজেলার পাঁচ শহীদের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জেলা প্রশাসন।
‎গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাজীব চৌধুরী, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।
‎শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন নবীনগর এস আর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম। পরে ইউএনও রাজীব চৌধুরী শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।
‎তানজিল মাহমুদ সুজয় (১৯) ছিলেন গাজীপুর ভাওয়াল সরকারি বদরে আলম কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন অগ্রণী কণ্ঠস্বর।
‎গত বছরের ৫ আগস্ট সকালেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ছাত্র আন্দোলনে। বিকেলে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের খবরে দেশজুড়ে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যে আশুলিয়ায় উল্লসিত জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তানজিল মাহমুদ সুজয়। পরে নির্মমভাবে তার মরদেহ ভ্যানগাড়িতে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
‎জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউএনও রাজীব চৌধুরীর নেতৃত্বে পৃথকভাবে উপজেলার বাকি চার শহীদ— শহীদ রফিকুল ইসলাম, শহীদ কামরুল মিয়া, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীন ও শহীদ মো. জাহিদ হোসেন— এর সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
‎জেলা প্রশাসনের এই শ্রদ্ধা নিবেদন ছিল শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণার প্রতীক, যা নবীন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের মহান চেতনায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‎শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়সহ নবীনগরের পাঁচ শহীদের সমাধিতে জেলা প্রশাসনের গভীর শ্রদ্ধা

আপডেট সময় :

‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের বীর শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়সহ উপজেলার পাঁচ শহীদের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জেলা প্রশাসন।
‎গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাজীব চৌধুরী, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।
‎শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন নবীনগর এস আর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম। পরে ইউএনও রাজীব চৌধুরী শহীদ তানজিল মাহমুদ সুজয়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।
‎তানজিল মাহমুদ সুজয় (১৯) ছিলেন গাজীপুর ভাওয়াল সরকারি বদরে আলম কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন অগ্রণী কণ্ঠস্বর।
‎গত বছরের ৫ আগস্ট সকালেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ছাত্র আন্দোলনে। বিকেলে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের খবরে দেশজুড়ে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যে আশুলিয়ায় উল্লসিত জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তানজিল মাহমুদ সুজয়। পরে নির্মমভাবে তার মরদেহ ভ্যানগাড়িতে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
‎জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউএনও রাজীব চৌধুরীর নেতৃত্বে পৃথকভাবে উপজেলার বাকি চার শহীদ— শহীদ রফিকুল ইসলাম, শহীদ কামরুল মিয়া, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীন ও শহীদ মো. জাহিদ হোসেন— এর সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
‎জেলা প্রশাসনের এই শ্রদ্ধা নিবেদন ছিল শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণার প্রতীক, যা নবীন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের মহান চেতনায়।