ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এক মাসে পাঁচ খুন, বাহুবলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা Logo তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছামাদ Logo কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রুবেল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন Logo কেশবপুরে তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পাশে রিইব Logo মুকসুদপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo মাদকের পক্ষে তদবিরকারীদেরও গ্রেপ্তারের হুশিয়ারি খায়রুল কবির খোকনের Logo বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি Logo খালিয়াজুরীতে ধনু নদে আবারও অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo ইসলামপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের ছাতা ও গাছের চারা বিতরণ Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২২

হ্যাপিল্যান্ড পার্কে শিশুদের ভিড়—সুনামগঞ্জে গড়ে উঠছে নতুন বিনোদনের রাজধানী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩৫২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের লালপুরে নবনির্মিত হ্যাপিল্যান্ড পার্ক এখন শিশুদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণস্থলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এখানে ভিড় বাড়ছে ছোটদের হাসি-আনন্দে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে পরিবারগুলোর স্বস্তি ও আস্থা। আধুনিক অবকাঠামো, নিরাপদ রাইড এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে পার্কটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এলাকাবাসী ও আশপাশের পর্যটকদের কাছে।
এই পুরো আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন উদ্যোক্তা আলমগীর। স্থানীয় শিশু-কিশোরদের জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ বিনোদন নিশ্চিত করতেই তিনি নিজের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগে পার্কটি গড়ে তুলেছেন। তার লক্ষ্য—সুনামগঞ্জে পরিবারবান্ধব একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করা।
পার্কটিতে শিশুদের জন্য রয়েছে, দোলনা, স্লাইড ও বিভিন্ন ঘূর্ণায়মান রাইড, যা ছোটদের জন্য তৈরি করেছে সম্পূর্ণ আলাদা এক রঙিন বিনোদন জগৎ। প্রতিটি রাইডে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আর নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
শিশুদের পাশাপাশি বড়দের জন্যও রয়েছে খোলা জায়গা, ছায়াঘেরা বসার স্থান, ফুড কর্নার এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর শান্ত পরিবেশ। সন্ধ্যার পর পার্কের রঙিন আলোকসজ্জা পুরো এলাকাকে সাজিয়ে তোলে এক অনন্য বিনোদন স্পটে।
স্থানীয়রা বলছেন, আগে শিশুদের মানসম্মত বিনোদনের জন্য দূরের পার্কে যেতে হতো। হ্যাপিল্যান্ড পার্ক প্রতিষ্ঠার পর এলাকার মধ্যেই নিরাপদ ও উন্নত বিনোদনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা—যা সময় ও ব্যয় দু’দিক থেকেই সুবিধাজনক।
পর্যটন বিশ্লেষকরা মনে করেন, সুনামগঞ্জের পর্যটন সম্ভাবনাকে সামনে এগিয়ে নিতে এই পার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি পরিবারগুলোর বিনোদনের চাহিদা পূরণেও এটি একটি বড় সংযোজন।
ভবিষ্যতে পার্কের পরিসর বাড়ানো, নতুন রাইড সংযোজন এবং পর্যটকদের জন্য বিশেষ অফার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন উদ্যোক্তা আলমগীর।
সার্বিকভাবে, হ্যাপিল্যান্ড পার্কে শিশুদের ভিড় ইঙ্গিত দিচ্ছে—সুনামগঞ্জে গড়ে উঠছে নতুন এক বিনোদনের রাজধানী, যেখানে শিশুদের হাসি ও আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠছে পুরো পরিবেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হ্যাপিল্যান্ড পার্কে শিশুদের ভিড়—সুনামগঞ্জে গড়ে উঠছে নতুন বিনোদনের রাজধানী

আপডেট সময় :

সুনামগঞ্জের লালপুরে নবনির্মিত হ্যাপিল্যান্ড পার্ক এখন শিশুদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণস্থলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এখানে ভিড় বাড়ছে ছোটদের হাসি-আনন্দে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে পরিবারগুলোর স্বস্তি ও আস্থা। আধুনিক অবকাঠামো, নিরাপদ রাইড এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে পার্কটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এলাকাবাসী ও আশপাশের পর্যটকদের কাছে।
এই পুরো আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন উদ্যোক্তা আলমগীর। স্থানীয় শিশু-কিশোরদের জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ বিনোদন নিশ্চিত করতেই তিনি নিজের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগে পার্কটি গড়ে তুলেছেন। তার লক্ষ্য—সুনামগঞ্জে পরিবারবান্ধব একটি আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করা।
পার্কটিতে শিশুদের জন্য রয়েছে, দোলনা, স্লাইড ও বিভিন্ন ঘূর্ণায়মান রাইড, যা ছোটদের জন্য তৈরি করেছে সম্পূর্ণ আলাদা এক রঙিন বিনোদন জগৎ। প্রতিটি রাইডে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আর নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
শিশুদের পাশাপাশি বড়দের জন্যও রয়েছে খোলা জায়গা, ছায়াঘেরা বসার স্থান, ফুড কর্নার এবং পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর শান্ত পরিবেশ। সন্ধ্যার পর পার্কের রঙিন আলোকসজ্জা পুরো এলাকাকে সাজিয়ে তোলে এক অনন্য বিনোদন স্পটে।
স্থানীয়রা বলছেন, আগে শিশুদের মানসম্মত বিনোদনের জন্য দূরের পার্কে যেতে হতো। হ্যাপিল্যান্ড পার্ক প্রতিষ্ঠার পর এলাকার মধ্যেই নিরাপদ ও উন্নত বিনোদনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা—যা সময় ও ব্যয় দু’দিক থেকেই সুবিধাজনক।
পর্যটন বিশ্লেষকরা মনে করেন, সুনামগঞ্জের পর্যটন সম্ভাবনাকে সামনে এগিয়ে নিতে এই পার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি পরিবারগুলোর বিনোদনের চাহিদা পূরণেও এটি একটি বড় সংযোজন।
ভবিষ্যতে পার্কের পরিসর বাড়ানো, নতুন রাইড সংযোজন এবং পর্যটকদের জন্য বিশেষ অফার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন উদ্যোক্তা আলমগীর।
সার্বিকভাবে, হ্যাপিল্যান্ড পার্কে শিশুদের ভিড় ইঙ্গিত দিচ্ছে—সুনামগঞ্জে গড়ে উঠছে নতুন এক বিনোদনের রাজধানী, যেখানে শিশুদের হাসি ও আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠছে পুরো পরিবেশ।